অশ্লিল, অনৈতিক কার্যক্রমে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মৌলভীবাজারে মানববন্ধন

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।

মৌলভীবাজারের সেই সামাজিক মাধ্যমে ও প্রকাশ্যে মাদক সেবনের স্বীকারোক্তি প্রদানকারীদের বিচারের আওতায় আনা ও শহরকে মাদক মুক্ত করার দাবীতে বৃহস্পতিবার শহরে মানববন্ধন এবং স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্টিত হয়েছে।
উল্রেখ্য যে, গত ৩ আগস্ট রাতে শহরের সুনাপুর এলাকায় স্থানীয় সাংবাদিক মাহমুদ এইচ খান তার বাসায় বন্ধুদের নিয়ে মদ ও গাঁজা পার্টির আসর বসান। ওই সময়ে সেখানে উপস্থিত তাদের এক বান্ধবী ধর্ষনের শিকার হন ।
গত ২৫ আগস্ট মাহমুদ এইচ খান তার ফেইসবুক স্ট্যাটাসে পার্টিতে বন্ধু সজিব কর্তৃক তার বান্ধবীকে জোর করে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেন। পর দিন ২৬ আগস্ট সজিব ধর্ষণের কথা অস্বীকার করে মেয়েটির ইচ্ছাতেই সব হয়েছে বলে পাল্টা পোষ্ট দেয়। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয় মৌলভীবাজার জুড়ে। এরই প্রতিবাদে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের ডাকে বৃহস্পতিবার শহরে মানববন্ধন এবং স্মারকলিপি প্রদান অনুষ্টিত হয়েছে।
মানববন্ধন ও পথসভায় বক্তব্য রাখেন, সচেতন নাগরিক সমাজের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন মাতুক, জেলা যৌন হয়রানী নির্মূল কমিটির সভাপতি রাশেদা বেগম, সম্মিলিত সামাজিক উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি খালেদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আলীম উদ্দিন আলীম, শেখ বুরহান উদ্দিন (রহ:) ইসলামী সোসাইটির চেয়ারম্যান এম মুহিবুর রহমান মুহিব, বাঁধন থিয়েটারের সভাপতি রুহেল আহমদ, সমাজসেবক কে,এম,আকলু, তরুণসমাজকর্মী মিজানুর রহমান রাসেল, আদর মাদকাসক্তি পূনর্বাসন কেন্দ্রের পরিচালক নিখিল তালুকদার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মৌলভীবাজার শহর শান্তিপূর্ণ শহর। মাদক ও ধষর্নের ব্যাপারে সরকার যেখানে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করেছেন সেখানে প্রশাসনের নাকের ডগায় এরকম একটি ঘটনায় বিস্মিত জেলার সর্ব স্তরের মানুষ। হযরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা (রহঃ) পূন্যভূমিতে এই বেহায়াপনা, অশ্লিল, অনৈতিক কার্যক্রম কোনভাবেই সহ্য করা যায়না। এখানে মাদকের আসর বসিয়ে মদ্যপ অবস্থায় ধর্ষনের মত ঘটনা ঘটিয়ে তা নিজেদের ফেসবুকে প্রচার করার যে দু:সাহস যারা দেখিয়েছে তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দিতে হবে। অন্যথায় জেলার সর্বস্থরের মানুষকে নিয়ে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি বাস্তবায়ন করা হবে।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইয়াছিনুল হক জানিয়েছেন, এই ঘটনায় ৩১ আগস্ট পৃথক দু’টি মামলা হয়েছে। ইতিমধ্যে এক আসামী রায়হান আনছারী সজিবকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকী আসামীদের আটকে পুলিশ তৎপর রয়েছে। এছাড়া গোয়েন্দা তথ্যের আলোকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও অনৈতিক কার্যকলাপ ঘটে এমনসব স্থান চিহ্নিত করে অভিযান চালানোরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।




কমলগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলেন এক হাজার যুবলীগ কর্মী

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।। করোনা ভাইরাস-২০১৯ মহামারী পরিস্থিতিতে মানবিক সহায়তা হিসেবে কর্মহীন এক হাজার যুবলীগ কর্মীর মধ্যে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে ১০ কেজি চাল দিয়েছে উপজেলা যুবলীগ। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকাল ৫টায় কমলগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব চাল বিতরণ করেন সরকারী অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, সাব্কে চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি।

কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক ও পৌর মেয়র মোঃ জুয়েল আহমেদের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মালিক বাবুলের সঞ্চালনায় চাল বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আসলম ইকবাল, সাধারন সম্পাদক এডভোকেট এএসএম আজাদুর রহমান, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম, কমলগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান, উপজেলা বিআরডিবি সাবেক চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আহমেদ, জেলা যুবলীগের সহ সভাপতি, পৌর কাউন্সিলর মো. আনোয়ার হোসেন, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি বিশ্বজিত রায়। অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন মাধবপুর ইউপি আওয়ামীলীগের সভাপতি আসিদ আলী, উপজেলা যুবলীগের সদস্য জহির আলম নান্নু, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রাহাত ইমতিয়াজ রিপুল প্রমুখ।




সঙ্কটে দেশের কাঁচা সোনা -সিলেটের রাবার শিল্প

কমলকন্ঠ রিপোর্ট।। রাবারের গাছ থেকে সংগৃহিত হয় কষ। যা লেটেক্স নামে পরিচিত। সেই কষ প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি হয় রাবার। চার লিটার কষ থেকে তৈরি হয় এক কেজি রাবার। প্রতি কেজি রাবারের উৎপাদনে খরচ পড়ে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। আর বিক্রি হয় কেজি প্রতি গড়ে ১০০টাকায়। বিক্রির উপর আবার ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয় বিক্রেতাকে। ফলে লাভের চেয়ে লোকসানই গুণতে হয় বেশি। এমন অবস্থা চলছে গত কয়েকবছর ধরে। অব্যাহত লোকসানের কারণে রাবার চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন বাগান মালিকরা। অনেকেই বাগান বিক্রি ব্যবসা গুটিয়েও নিচ্ছেন।

এমনই একজন মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার আব্দুল মতলিব। বছর তিনেক আগে নিজের রাবার বাগানের গাছ কেটে ফেলেছেন মতলিব। তিনি বলেন, প্রায় ৫ বছর ভর্তুকি দিয়ে বাগান চালু রেখেছিলাম। দাম বাড়ার আশায় ছিলোম। কিন্তু দিন দিন দাম কমছেই। ফলে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলাম। একারণে সব গাছ কেটে বিক্রি করে ফেলেছি। একই উপজেলার বাসিন্দা সুইট খানের রাবার বাগান ছিলো। উৎপাদিত রাবারের দাম না পেয়ে একটি বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি। আরেকটি এখন থাকলেও করোনাসঙ্কট শুরু হওয়ার পর সেটির কার্যক্রম বন্ধ।

সুইট খান বলেন, এখন তো করোনার সময়। সবার অবস্থাই খারাপ। কিন্তু স্বাভাবিক অবস্থায়ও রাবারের দাম পাওয়া যায় না। উৎপাদন খরচও অনেক সময় উঠে না। ফলে এই রাবার বাগান করায় উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন সব চাষীরাই।

সিলেট বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলের রাবার বাগানের উদ্যোক্তাদের সাথে কথা বলে একই ধরণের তথ্য জানা গেছে। সকলেই দাম না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

সিলেট অঞ্চলের বেসরকারি কয়েকটি রাবার বাগানের মালিকরা জানান, ২০১০-১২ সালে রাবারের দাম ছিলো কেজি প্রতি ২৮০-৩২০ টাকা, ২০১৩-২০১৪ সালে এসে দাঁড়ায় ১২০-১৩০ টাকা । বর্তমানে প্রতি কেজি রাবার ১০০-১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অথচ এককালে ‘সাদা সোনা’ হিসেবে আখ্যায়িত দেওয়া হয়েছিলো রাবার শিল্পকে। ’৮০ দশকে সরকারি তরফে রাবার উৎপাদনে ব্যাপক উৎসাহ প্রদান করা হয়। সেসময় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে উঠে অনেকগুলো রাবার বাগান।

উদ্যোক্তারা বলছেন, বিদেশ থেকে রাবার আমদানি বেড়ে যাওয়ায় দেশে উৎপাদিত রাবারের দাম কমে গেছে। এছাড়া রাবার কাঁচামাল কৃষি পণ্য হওয়া সত্ত্বেও শিল্প পণ্য হিসেবে দেশের বাজারে ভ্যাট দিতে হচ্ছে ১৫ শতাংশ। একারণে আরও বিপাকে পড়েছেন বাগানের উদ্যোক্তারা। লোকসান গুণছে সরকারি বাগানগুলোও।

সরকারের উদাসীনতা, পুরনো চাষ পদ্ধতি এবং শিল্পোদ্যোক্তাদের অনাগ্রহের কারণেও রাবারশিল্পের সঙ্কট ঘণিভূত হয়েছে বলে জানা গেছে।

মৌলভীবাজারের বরমচালের কলিমউল্লা রাবার বাগানের সত্ত্বাধিকারী টিপু চৌধুরী বলেন, ’৯০ সালে আমি বাগান শুরু করি। তখন ২৮০ টাকায় প্রতি কেজি রাবার বিক্রি করেছি। কিন্তু গত ১৫ বছর ধরে রাবারের দাম কমছে। বর্তমানে প্রতি লিটার রাবারের কষ (লেটেক্স) বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়। ৪ লিটার কষে এক কেজি রাবার হয়। ফলে এক কেজি রাবার বিক্রি করে দাম পাচ্ছি ১০০ টাকা। এই ব্যবসায় এখন লাভের চেয়ে লোকসানই বেশি।

সংশ্লিস্ট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে সরকারি রাবার বাগান ১৮টি। এর মধ্যে চট্টগ্রাম জোনে ৯টি, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ জোনে ৫টি, সিলেট জোনে ৪টি বাগান রয়েছে। সিলেট অঞ্চলের ভাটেরা, সাতগাঁও, শাহজী বাজার ও রূপাইছড়া বাগানে মোট ৮ হাজার ৪৪২.২২ একর জমিতে রাবার চাষ হয়। এছাড়া সিলেট অঞ্চলে বেসরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন শতাধিক রাবার বাগান রয়েছে। সবমিলিয়ে দেশে প্রায় ৭০ হাজার একর ভূমিতে রাবার চাষ হয়। দেশে বছরে ১৬ থেকে ২০ হাজার টন রাবার উৎপাদন হয়। আর দেশিয় বাজারে এই পণ্যের চাহিদা বছরে ৩০ হাজার টন।

বাগান থেকে সংগ্রহিত কষ সিলেট অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন কারখানায় প্রক্রিয়াজাত করে রাবারের শিট তৈরি করা হয়। এরপর তা চলে যায় ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন কারখানায়। রাবার দিয়ে গাড়ির টায়ার, টিউব, জুতার সোল, ফোম, রেক্সিন, হোসপাইপ, গাম, খেলনা সহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি হয়।

এদিকে, সিলেট অঞ্চলের সরকারি বাগানের বেশিরভাগ গাছেরই আয়ুস্কাল ফুরিয়েছে অনেক আগেই। নতুন গাছ আমদানি বা রোপনের উদ্যোগ নেই। এছাড়া বনবিভাগও রাবারবাগানের জন্য নতুন জমি দিতে আগ্রহী নয়। সরকারি বাগানগুলোর প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার রাবার গাছের অর্থনৈতিক জীবনচক্র এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। আয়ুষ্কাল হারানো গাছগুলোর কাঠ আহরণের জন্য শ্রীমঙ্গলে স্থপন করা হয়েছে রাবার কাট প্রেসার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট।

ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সূত্রে জানা গেছে, এখানে অর্থনৈতিক জীবনচক্র হারানো রাবার গাছের কাঠকে প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে ব্যবহার উপযোগী টেকসই কাঠে রূপান্তর করা হয়। প্লান্টটি প্রতিদিন ১৬০ ঘনফুট হিসেবে বছরে ৪৮ হাজার ঘনফুট কাঠ প্রক্রিয়াজাত করতে সক্ষম।

সরকারি একটি রাবার বাগানের ব্যবস্থাপক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সিলেট জোনের ৪টি সরকারি বাগানই পুরাতন। এসব রাবার বাগানে উৎপাদন ভালো কিন্তু বিক্রয়মূল্য কম হওয়াতে লোকসানের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

রাবার শিল্পের বর্তমান অবস্থা নিয়ে কথা বলতে বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন (বাশিউক) রাবার বিভাগ, সিলেট অঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. ওয়লিউর রহমানের সাথে গত ১৬ আগস্ট আলাপ করতে চাইলে তিনি উর্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুপতি ছাড়া কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। উর্ধতন কতৃপক্ষের সাথে আলাপ করে তথ্য প্রদান করবেন বলেও জানান তিনি। তবে গত ২৫ আগস্ট ওলিউর রহমান বলেন, আমি উর্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুপতি পাইনি। আপনি ঢাকা অফিসে যোগাযোগ করুন।

পরে বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (রাবার) আবু রায়হানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনিও কোনো তথ্য প্রদানে অপরাগতা প্রকাশ করেন।




শ্রীমঙ্গলে যক্ষ্মা নিরোধ সমিতির সভা অনুষ্ঠিত

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ‘যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধে সংবাদকর্মীদের ভূমিকা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) বাংলাদেশ জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) শ্রীমঙ্গল শাখার আয়োজনে শহরের একটি রেস্টুরেন্টে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং অনলাইন এবং ফ্রিল্যান্সসহ ৩০ জন সংবাদকর্মী উপস্থিত ছিলেন। নাটাব শ্রীমঙ্গল শাখার কোষাধ্যক্ষ মো. কাওছার ইকবাল’র সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক এবং বিএমএ ও নাটাব শ্রীমঙ্গল শাখার সভাপতি ডা. হরিপদ রায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সভাপতি বিশ্বজোতি চৌধুরী ও দৈনিক খোলা চিঠির সম্পাদক মো. সরফরাজ আলী বাবুল।

সভায় অতিথিরা তাদের বক্তব্যে যক্ষ্মা রোগ প্রতিরোধ ও নিরাময়ে করণীয় বিষয়ে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা তুলে ধরে বলেন, শুধুমাত্র সচেতনতার মাধ্যমেই এই রোগটি নির্মূল করা সম্ভব। আর এক্ষেত্রে সংবাদকর্মীরা তাদের লেখনীর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করে যক্ষ্মা নির্মূলে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থাপন করা তথ্য থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালের জুন মাস থেকে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত এ উপজেলায় ৯৪০১ জনকে পরীক্ষা করে ১৩০১ জন যক্ষ্মা রোগী পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৯২০ জন। চিকিৎসাধীন আছেন ৩৮১ জন। এর মধ্য দুই জন রোগীর রোগের পর্যায় এমডিআর পর্যন্ত গড়ানোয় রোগী মহাখালী বক্ষব্যাধি হাসপাতালের তত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, এই করোনাকালে সাংবাদিকরা যেভাবে স্বাস্থ্য বিভাগকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন তাতে আমাদের করোনা অভিঘাত মোকাবেলায় বিরাট ভূমিকা রাখছে। লেপ্রোসি ও টিবি নিরোধেও তৃণমূলের মানুষের খবর আমাদেরকে জানালে আমরা সাথে সাথেই ব্যবস্থা নেব।

বিএমএ ও নাটাব শ্রীমঙ্গল শাখার সভাপতি ডা. হরিপদ রায় বলেন, যক্ষ্মা নির্মূলে আমাদের সবাইকে কাজ করে যেতে হবে যাতে বাংলাদেশ পোলিও নির্মূলের মতো সফলতা অর্জন করতে পারে। সমাজে এখনো লুকায়িত রোগ হিসেবে একটা ধারনা ও দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। সাংবাদিকরা ও স্বাস্থ্য কর্মীরা মানুষকে সচেতন করে তুলতে পারলে আমরা অচিরেই যক্ষ্মামুক্ত হতে পারব।




জুড়ি-বড়লেখায় গাছে ৪৪০ ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইন: দুর্ঘটনার আশঙ্কা

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কুলাউড়া বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের আওতাধীন জেলার বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ লাইনে ঘটছে প্রাণহানীর ঘটনা। প্রায় দু’যুগের বেশি জরাজীর্ণ লাইন সংস্কারে কর্তৃপক্ষ চরম উদাসীন। লাইন মেরামত না করেই দেয়া হচ্ছে বেশ দূরে দূরে বাঁশের-কাঠের খুটিতে ঝুঁকিপূর্ণ সংযোগ। পিডিবি’র লাইন মেরামতে কি বরাদ্দ দেয় না? তবে এগুলো যায় কোথায় ? এ প্রশ্ন এলাকাবাসীর। লাইনের ওপর থাকা গাছপালা কাটা ও মেরামত না করায় সামান্য ঝড়-বাতাসে গাছপালা পড়ে তার ছিড়ে ঘটছে দুর্ঘটনা। বিদ্যুৎহীন হয়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের। দ্রুত এসব বিদ্যুৎ লাইন সংস্কার না করলে ঘটতে পারে বড়ধরণের দূঘর্টনা।

জানা গেছে, পিডিবি’র কুলাউড়া বিভাগের আওতাধীন বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রায় ৮ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছে। এ বিদ্যুৎ লাইনের বেশির ভাগই ২৫-৩০ বছরের জরাজীর্ণ এবং অপরিকল্পিত। ভুমি থেকে কমপক্ষে ৯ মিটার ওপরে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন টানানোর নিয়ম। কিন্তু এর তোয়াক্কা না করে পিডিবি’র অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাঁশের ও কাঠের খুটিঁতে অত্যন্ত কম উচ্চতায় আবাসিক ও বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে। কোথাও জীবিত বাঁশ ও গাছকে খুটিঁ ব্যবহার করে সংযোগ দেয়ায় প্রায়ই হতাহতের ঘটনা ঘটছে। বিদ্যুতায়িত হয়ে গত ১৬ আগস্ট ফুলতলা বাজারে আব্দুল ওয়াহিদ নামে এক দিনমজুর ও পাতিলাসাঙ্গনে ইমাম উদ্দিন হোসাইন নামক কিশোরের মৃত্যু ঘটেছে। গত বছরে পিডিবি’র অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ লাইনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান জুড়ী বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী সুনীল দেবনাথ, জসিম উদ্দীন, শাহপুরের দুই মাছ শিকারীসহ অন্তত ৬ ব্যক্তি।

বড়লেখার কাশেমনগর, হাকাইতি, জুড়ীর চম্পকলতা, ভজিটিলা, মনতৈল, ভোগতেরা ও কালিনগর গ্রামে হালকা ঝড়ে ভেঙ্গে যাবে এমন কাঠের-বাঁশের অত্যন্ত দুর্বল অসংখ্য খুটিঁতে ৪৪০ ভল্টের বিদ্যুৎ সরবরাহ এলটি লাইন থাকতে দেখা গেছে। রাস্তার ওপর থাকা বিদ্যুৎ সঞ্চালনকৃত তারের দুরত্ব ভুমি থেকে ২/৩ মিটারেরও কম। অনেক স্থানে বিদ্যুতের তার ও খুঁটি ঝুলে রয়েছে। অসাবধান হয়ে চলাফেরা করলেই ঘটবে দুর্ঘটনা। জীবন্ত গাছের সাথে গাছ ও তারের মাঝখানে বাঁেশর চটি রেখে গাছের সাথে বেধে ৪৪০ ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন টানানো হয়েছে। এতে যেকোন সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে বড়ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। চম্পকলতা গ্রামের সত্তার আলী জানান, চম্পকলতা প্রাইমারী স্কুলের উত্তর পাশে ও জামে মসজিদের মধ্যস্থানে দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিচ দিয়ে মেইন লাইন ফেলা ও নড়বড়ে কাঠের খুঁিট ভেঙ্গে পথচারীরা বিদ্যুতায়িত হওয়ার আশংকা রয়েছে।

পিডিবি’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনছারুল কবীর শামীম কিছু এলাকায় জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিনি মুলত পিডিবি’র বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন। তারপরও সাধ্যমত রক্ষণাবেক্ষণ করছেন। উল্লেখিত এলাকায় প্রজেক্টের মাধ্যমে নতুন লাইন নির্মাণের কাজ চলছে।




বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমানের কবর জিয়ারত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।

বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর ও বীরমুক্তিযোদ্ধা মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের কবর জিয়ারত করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

বৃহস্পতিবার (২০ আগষ্ট) দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সিলেট থেকে সড়ক পথে ঢাকা যাবার সময় মৌলভীবাজার সদর উপজেলার গুজারাই গ্রামে সাবেক গণপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্য, স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করোনায় আক্রান্ত হয়ে সদ্য প্রয়াত আজিজুর রহমানের কবর জিয়ারত করেন।

সে সময় আজিজুর রহমানের ছোট ভাই সাবেক মুক্তিযোদ্ধা জেলা কামান্ডার মোঃ জামাল উদ্দিন, পৌরসভা মেয়র মো. ফজলুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেশনা বিষায়ক সম্পাদক সজিব আহসানসহ পরিবারের সদস্য ও দলীয় নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কবর জিয়ারত শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, আজিজুর রহমান ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্লোভ ও সৎ রাজনীতিবিদ। তাঁর এই শূন্যতা পূরন হওয়ার নয়। আজিজুর রহমানকে অনুসরন করতে দলীয় রাজনীতি করতে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের আহবান জানান।




কমলগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে শোক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা, পুরষ্কার বিতরণ, দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে দিবসটি পালিত হয়। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠন ভানুগাছ বাজারস্থ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্পণ করেন। সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এক আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হকের সভাপতিত্বে ও প্রধান শিক্ষক মোশাহিদ আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. এএসএম আজাদুর রহমান, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম, জেলা পরিযদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. হেলাল উদ্দিন, কমলগঞ্জ থানার ওসি আরিফুর রহমান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আব্দুল মুনিম তরফদার, উপজেলা বিআরডিবির সাবেক চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, সাংবাদিক প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সবশেষে দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা এনাম উদ্দিন।
এদিকে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ, কমলগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া যথাযোগ্য মর্যাদায় বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়।




কমলগঞ্জ পৌর মেয়র জুয়েল আহমেদের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ ইলেক্ট্রিশিয়ান সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির উপদেষ্টা, কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো: জুয়েল আহমেদ এর আশু রোগমুক্তি কামনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় সংগঠনের ভানুগাছ বাজারস্থ কার্য্যালয়ে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

কমলগঞ্জ ইলেক্ট্রিশিয়ান সমিতির কার্যালয়ে উপদেষ্টা বাবু বিশ্বজিৎ রায়ের সভাপতিত্বে এবং মাওলানা আব্দুল জলিলের পরিচালনায় উক্ত দোয়া মাহফিলে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, কমলগঞ্জ পৌর মেয়র মো: জুয়েল আহমেদ প্রায় এক সপ্তাহ ধরে সর্দি, কাশি ও ঠান্ডাজনিত রোগে ভোগছেন। দোয়া মাহফিল ও এলাবাসীর মধ্যে শিরনী বিতরণ শেষে সংগঠনের সভাপতি মখসুদ আলী, সহঃ সভাপতি হাজী ইব্রাহীম মিয়া, কোষাধ্যক্ষ চেরাগ আলী ও সাধারণ সম্পাদক রিপন চৌধুরী মেয়রে বাড়ীতে গিয়ে তার শারিরীক অবস্থার খোজঁখবর নেন এবং কুশল বিনিময় করেন।




কানিহাটি চা-বাগানে টি এস এস এর ২টি বৈদিক শিক্ষা কেন্দ্র উদ্বোধন

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।। তরুণ সনাতনী সংঘ (টি.এস.এস) কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার পরিচালনায় ও সনাতনী প্রবাসী গ্রুপের সহযোগীতায় কমলগঞ্জের কানিহাটি চা-বাগানের পৃথক পৃথক দু‘টি স্থানে আনুষ্টানিক ভাবে উদ্বোধন করা হলো বৈদিক শিক্ষা কেন্দ্র “গুরুকূল জ্ঞানগৃহ ” গীতা স্কুল।

আজ ২৪ জুলাই শুক্রবার সকাল ১১ঘটিকায় শমসেরনগর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের কানিহাটি দূর্গা মন্ডপ প্রাঙ্গনে ও দুপুর ২ঘটিকায় কানিহাটি কালী মন্দির প্রাঙ্গনে ২টি “গুরুকূল জ্ঞানগৃহ ” গীতা স্কুল এর আনুষ্টানিক উদ্ধোধন করা হয়েছে। অনুষ্টানে প্রধান অতিথি ছিলেন টি.এস,এস. মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি শ্রী দিপু কর্মকার বিশেষ অতিথি ছিলেন সাধারণ সম্পাদক শ্রী জগদীশ দাশ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শম্ভু সরকার রবিন, সনাতনী প্রবাসী গ্রুপের প্রধান সমন্ময়কারী শ্রী সুর্য মালাকার শিপন।

উপস্থিত অতিথিদের ধর্মালোচনা শেষে বৈদিক শিক্ষা কেন্দ্র গুরুকূল জ্ঞানগৃহের শুভ উদ্বোধন করেন টি ,এস,এস কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি শ্রী বিশ্বজিৎরায় । অনুষ্টানে সভাপতিত্বে করেন টি.এস.এস. শমসেরনগর ইউনিয়ন শাখার যুগ্ন আহবায়ক শ্রী সৌরভ বীন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,শমসেরনগর ইউপি সদস্য সীতা রাম বীন, সংগঠনের উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শ্রী ঝলক রঞ্জন দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী রাজন দত্ত রাজু , সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী বিজয় মল্লিক, মৌলভীবাজার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুমন পাল প্রমূখ। উপস্থিত অতিথিগন তাদের বক্তব্যে বলনে, টি, এস,এস যে ভাবে সনাতনী সমাজের শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার জন্য সারা মৌলভীবাজার জেলাব্যাপি গুরুকুল জ্ঞানগৃহ স্থাপনের মাধ্যমে সর্বমহলে যে আলোড়ন তুলতে সক্ষম হয়েছেন সেই ধারাকে অব্যাহত রাখতে পারলে একসময় প্রতিটি গ্রামে গ্রামে, পাড়ায় পাড়ায় গুরুকুল জ্ঞানগৃহ পাওয়া যাবে। অনুষ্টানে দুইটি শিক্ষাকেন্দ্রের মোটঃ ৬০জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পবিত্র শ্রীমদ্ভগবদগীতা ,খাতা ও কলম বিতরন করা হয়। শিক্ষার্থীদের সঠিক র্ধমীয় শিক্ষা গ্রহণ করতে হলে ক্লাসে নিয়মিত ছাত্রদের উপস্থিত থাকার বিষয়টির উপর জোর দেন বক্তারা । অবহেলিত সনাতনী সম্প্রদায়কে সঠিক ধর্মীয় শিক্ষায় করে তুলতে মৌলভীবাজার জেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের র্সববৃহৎ বে-সরকারী স্বেচ্ছাসেবী ধর্মীয় সংগঠন তরুণ সনাতনী সংঘ (টি এস এস) মৌলভীবাজার জেলাসহ সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় তাদের বৈদিক শিক্ষা র্কাযক্রম এই “গুরুকূল জ্ঞানগৃহ গীতা স্কুল” স্থাপন ও পরিচালনা করে আসছে। এবং ইতিমধ্যে তা একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসাবে সর্বমহলে প্রশংশিত হয়েছে ।




নছরতপুরে গীতা শিক্ষা কেন্দ্র “গুরুকূল জ্ঞানগৃহ” উদ্ভোধন

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।
তরুণ সনাতনী সংঘ (টি.এস.এস) কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার পরিচালনায় ও সনাতনী প্রবাসী গ্রুপের সহযোগীতায় কমলগঞ্জের নছরতপুরে আনুষ্টানিক ভাবে উদ্ভোধন করা হলো বৈদিক শিক্ষা কেন্দ্র গীতা স্কুল “গুরুকূল জ্ঞানগৃহ ”।
গত ২১ জুলাই মঙ্গলবার সকাল ১১টায় কমলগঞ্জ পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের নছরতপুর গ্রামের নছরতপুর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শ্রী সুনিল মালাকারের বাড়ীর দূর্গা মন্ডপ প্রাঙ্গনে আয়োজতি এই গীতা স্কুল “গুরুকূল জ্ঞানগৃহ ” এর উদ্ভোধনী অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন টি.এস,এস. মৌলভীবাজার জেলা শাখার সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শম্ভু সরকার রবিন, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সনাতনী প্রবাসী গ্রুপের প্রধান সমন্ময়কারী সুর্য মালাকার শিপন। অনুষ্টানে পবিত্র শ্রীমদ্ভগবত গীতা থেকে পাঠ করেন কমলগঞ্জ হরেকৃষ্ণ নামহট্ট সংঘের ভক্ত শ্রী শৈবাল রায় । উপস্থিত অতিথিদের ধর্মালোচনা শেষে বৈদিক শিক্ষা কেন্দ্র গুরুকূল জ্ঞানগৃহের শুভ উদ্বোধন করেন টি ,এস,এস কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি শ্রী বিশ্বজিৎরায় । টি.এস.এস. কমলগঞ্জ সরকারী কলেজ শাখার সভাপতি শ্রী বিজয় মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত উদ্ভোধনী অনুষ্টানে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের উপদেষ্টা শ্রী সুনীল মালাকার,সংগঠনের উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী রাজন দত্ত রাজু , পৌর কমিটির সহ:সভাপতি ডা: শ্রী সন্তোষ মালাকার, সরকারী কলেজ শাখার সম্পাদিকা শ্রীমতি অনামিকা দাস, যুগ্ন সম্পাদিকা শ্রীমতি সােমা শর্মা সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী উজ্বল শীল, কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়ন কমিটির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক শ্রী সজীব দত্ত ঝুমন, র্অথ সম্পাদক শ্রী রতন দত্ত প্রমূখ।

উপস্থিত অতিথিগন তাদের বক্তব্যে বলনে, টি, এস,এস যে ভাবে সনাতনী সমাজের শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার জন্য সারা মৌলভীবাজার জেলাব্যাপি গুরুকুল জ্ঞানগৃহ স্থাপনের মাধ্যমে সর্বমহলে যে আলোড়ন তুলতে সক্ষম হয়েছেন সেই ধারাকে অব্যাহত রাখতে পারলে একসময় প্রতিটি গ্রামে গ্রামে, পাড়ায় পাড়ায় গুরুকুল জ্ঞানগৃহ পাওয়া যাবে।
অনুষ্টানে শিক্ষাকেন্দ্রের ৪০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পবিত্র শ্রীমদ্ভগবদগীতা ,খাতা ও কলম বিতরন করা হয়। শিক্ষার্থীদের সঠিক র্ধমীয় শিক্ষা গ্রহণ করতে হলে ক্লাসে নিয়মিত ছাত্রদের উপস্থিত থাকার বিষয়টির উপর জোর দেন বক্তারা ।

অবহেলিত সনাতনী সম্প্রদায়কে সঠিক র্ধমীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে মৌলভীবাজার জেলার সনাতন র্ধমাবলম্বীদের র্সববৃহৎ বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী ধর্মীয় সংগঠন তরুণ সনাতনী সংঘ মৌলভীবাজার জেলাসহ সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় তাদের বৈদিক শিক্ষা র্কাযক্রম এই “গুরুকূল জ্ঞানগৃহ গীতা স্কুল” স্থাপন ও পরিচালনা করে আসছে। এবং ইতিমধ্যে তা একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসাবে র্সবমহলে প্রশংশিত হয়েছে ।