কমলগঞ্জে পুষ্টি উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদারকরণ বিষয়ক কর্মশালা

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।

আজ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ‘পুষ্টি উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদারকরণ’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও সিএনআরএস সূচনা কর্মসূচি, কমলগঞ্জ এর আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এর শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমান।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাসরিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও উপজেলা পুষ্টি কর্মকর্তা এবিএম মোয়াজ্জেম হোসেনের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য ও প্রজেক্টরের মাধ্যমে অগ্রগতি তুলে ধরেন সূচনা প্রকল্পের শ্রীমঙ্গল -কমলগঞ্জ উপজেলার প্রকল্প সমন্বয়কারী মোস্তফা হায়দার মিলন। মুক্ত আলোচলায় অংশ নেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: এম, মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া, রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা: হেদায়েত উল্ল্যা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রাণেশ চন্দ্র বর্মা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মধুছন্দা দাস, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রিপন চন্দ্র দাস, মৎস্য কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি বিশ্বজিৎ রায়, উপকারভোগী আরতী রানী নাথ, ঝর্ণা আক্তার প্রমুখ।




কমলগঞ্জে মহাশিবরাত্রি পালন

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের যোগীবিল শৈব যোগী সংঘের আয়োজনে ১২তম বার্ষিকী মহাশিবরাত্রিব্রত উপলক্ষে ২ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে “যোগীকুঞ্জ শিবাঙ্গনে ” পরমেশ্বর শিবের বৈদিক প্রার্থনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ করা হয়।

মহাশিবরাত্রি উপলক্ষ্যে শৈব যোগী সংঘের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য ডা. শ্রীনিবাস দেবনাথের সভাপতিত্বে ও পিংকু দেবনাথের সঞ্চালনায় অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রামভজন কৈরী, ৬নং আলীনগর ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক বাদশা, ইউপি সদস্য সুকুমার দেবনাথ, নাথ কল্যাণ সমিতি বাংলাদেশ মৌলভীবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বেনু দেবনাথ, কমলগঞ্জ শাখার সভাপতি ক্ষিরোদ চন্দ্র দেবনাথ, সাধারণ সম্পাদক পিন্টু দেবনাথ, সাংগঠনিক সম্পাদক নিরোদ রঞ্জন দেবনাথ দুলু প্রমুখ।

এরপর শুরু হয় এক বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা। শত শত ভক্তবৃন্দের ” হর হর মহাদেব” ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠে পরিবেশ। পরমেশ্বর শিবের দিব্য নাম কীর্তনের মাধ্যমে শোভাযাত্রাটি প্রায় ৫ কিলোমিটার আশপাশের অঞ্চল প্রদক্ষিণ করে।

উল্লেখ্য, মহাশিবরাত্রি সনাতন বৈদিক ধর্মের অন্যতম আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠান। কেননা, বেদ-বেদান্তে পরমেশ্বর ভগবান শিব সর্বোচ্চ সত্বা হিসেবে বর্ণিত হয়েছেন। তিনি অদ্বিতীয় পরম সত্বা। সেজন্য বেদান্তে বলা হয়েছে- “শিব এব কেবলো।”

শিবরাত্রি মহাব্রত পালন করলে পরমপ্রভু সদাশিব প্রসন্ন হন।

শৈব যোগী সংঘ ১২ বছর ধরে এই মহাব্রত পালন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবারের আয়োজন। বিশ্বজগতের কল্যাণার্থে তথা আলোকিত আধ্যাত্মিক জীবন গঠনের উদ্দেশ্যেই শিবরাত্রি মহাব্রত উদযাপন করা হয়।




কমলগঞ্জে উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির দ্বি-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।

“খাদ্যের কথা ভাবলে, পুষ্টির কথা ভাবুন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বহুখাতভিত্তিক পুষ্টি কার্যক্রম বাস্তবায়নে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির দ্বি-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ, কমলগঞ্জ এ সভার আয়োজন করে।

কমলগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাসরিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম, রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল, মুন্সীবাজার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালিব তরফদার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ডা: এম, মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া, উপজেলঅ সমাজসেবা অফিসার প্রাণেশ চন্দ্র বর্মা, উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার ডা: হেদায়েত উল্যা, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রিপন চন্দ্র দাশ, হীড বাংলাদেশ এর লিয়াজো অফিসার নুরে আলম সিদ্দিকী, প্রভাষক শাহাজান মানিক, প্রধান শিক্ষক রনেন্দ্র কুমার দেব, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি বিশ^জিৎ রায়, সাংবাদিক প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, সাংবাদিক নুরুল মোহাইমীন মিল্টন প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুচনা প্রকল্পের উপজেলা পুষ্টি অফিসার এবিএম মেয়াজ্জেম হোসেন।

আলোচনার শুরুতে বিগত সভার কার্যবিবরণী পাঠ ও অনুমোদন করা হয়। বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি কর্মকান্ড বাস্তবায়নে সূচনার ভূমিকা ও পুষ্টি ঘাটতি পূরণসহ নানা বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।




কমলগঞ্জে জলাতঙ্ক নির্মূল কর্মসূচির অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্টিত

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।। জাতীয় জলাতঙ্ক নির্মূল কর্মসূচির আওতায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ২য় পর্যায়ে কুকুরের টিকাদান- এমডিভি কার্যক্রম -২০২১ চালু উপলক্ষে এক অবহিতকরণ কর্মশালা আজ ৮মার্চ সকাল ১১ টায় কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে অনুষ্টিত হয়।

কর্মশালায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ মাহাবুবুল আলমের উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান,উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশেকুল হক,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিছ বেগম, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এনায়েত উল্যা, রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল, এমডিভি কার্যক্রমের সুপারভাইজার আরিফুর রহমান, প্রেসক্লাব সভাপতি বিশ্বজিৎ রায়, সহ সভাপতি প্রণীত রঞ্জন দেবনাথ প্রমুখ।

আগামী ১১ মার্চ থেকে কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ২৩ টি টিমের মাধ্যমে ১৫ দিন ব্যাপী এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।




শৈত প্রবাহে মৌলভীবাজারের জনজীবন বিপর্যস্ত

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।

টানা কয়েক দিন থেকে শৈত প্রবাহ অভ্যাহত থাকায় জনজীবন বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে। মৌলভীবাজার পূরো জেলা জুড়ে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। রোববার ২০ ডিসেম্বর সকাল ৯ টায় তাপমাত্রা ৭.৩ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে। কন কনে শীত ও মৃদু শৈত প্রবাহে কারণে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পরেছেন। সূর্য উদয় থেকে সূর্য অস্ত পর্যন্ত পূরো জেলার আকাশ ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন রয়েছে। সূর্যের দেখা না মিলা ও মৃদু বাতাসে প্রচন্ড শীত অনুভুত হচ্ছে।

গত শনিবার ১৯ ডিসেম্বর শ্রীমঙ্গলের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা শুক্রবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, এটিই চলতি শীত মৌসুমের শ্রীমঙ্গলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। সেই সঙ্গে মৌলভীবাজারে চলছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণেও শীত বেড়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে শীত আরও বাড়বে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ১৯৬৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ২ দশমিক ৮ ডিগ্রি। এটিই অদ্যাবধি রেকর্ডকৃত সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পরিসংখ্যান।

গরম কাপড়ের অভাবে নিম্নআয়ের মানুষেরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। দিনে ও রাতে খড়খুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছেন অনেকেই। সাধারণ মানুষ গরম কাপড়ের দোকানে ভীর করছেন। হাসপাতাল গুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগ সর্দি, কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ঠ ও নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্কদের সংখ্যা বাড়ছে।




প্রথম পর্যটন বান্ধব টেস্টটিউব বেবি সেন্টার স্থাপন হলো শ্রীমঙ্গলে

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে স্থাপিত হলো পর্যটন বান্ধব স্পেশালাইজড হসপিটাল দীপশিখা ইনফার্টিলিটি কেয়ার এন্ড কাউন্সিলিং সেন্টার।
১৯ ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে শ্রীমঙ্গল শহরের কলেজ রোডে প্রতিষ্ঠানটির কনফারেন্স হলে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষনা দেন প্রতিষ্ঠানটির এমডি অধ্যাপক দীপশিখা ধর। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির স্বপ্নদ্রষ্টা গাইনী বিশেষজ্ঞ কনসালটেন্ট ডাঃ নিবাস চন্দ্র পাল জানান, এটি সিলেট বিভাগে প্রথম এবং একমাত্র বন্ধাত্ব চিকিৎসার প্রতিষ্ঠান। সন্তানহীন মা বাবাদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য তিনি এ টেস্টটিউব বেবী সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন। আর সিলেট বা অন্য বড় শহরে না করে শ্রীমঙ্গলে করার কারণ হিসেবে তিনি জানান, এটি পর্যটন শহর। এখানে এ পদ্ধতি গ্রহন ও বেড়ানো একসাথে দুটোই হবে।
প্রেসব্রিফিং শেষে প্রজেক্টারের মাধ্যমে গণমাধ্যমকর্মীদের এ পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করেন ডা: নিবাস চন্দ্র পাল।
প্রতিষ্ঠানটির এমডি অধ্যাপক দীপশিখা ধর জানান, দীপশিখা ইনফার্টিলিটি কেয়ার এন্ড কাউন্সিলিং সেন্টার এর যাত্রা শুরু হয় ২০১২ সালে, সিলেট বিভাগে প্রথম এবং একমাত্র বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার সূতিকাগার হিসাবে। প্রথম দিকে রোগীদের কে বন্ধ্যাত্ব সম্পর্কে Counselling GesHormone Analysis, Semen Analysis Ges Medical Treatment দিয়েই শুরু করা হয় বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার কাজ। সাফল্য আসে প্রায় ১৮%।
পরবর্তীতে Fertility Promoting Surgery  I IUI পদ্বতির মাধ্যমে আরো উন্নত চিকিৎসা সেবা শুরু করা হয়। এ পর্যন্ত ৫৪৫ সংখ্যক Fertility Promoting Surgery হয়েছে এবং এর মাধ্যমে কাংখিত সাফল্য প্রায় ১০৯ জনের অর্থাৎ ২০%। শুরু থেকে এ পর্যন্ত ওটও পদ্বতিতে চিকিৎসা নিয়েছেন ৩৩১ জন Couple,কাংখিত সাফল্য ৪৯,অর্থাৎ ১৫%।আনন্দের খবর হল এই সেন্টারের সাফল্যর হার আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণ।

বর্তমানে ২০২০ সালে Infertility i পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সেবা দেবার লক্ষ্যে এগিয়ে যায় দীপশিখা ইনফার্টিলিটি সেন্টার। যদিও Covid ১৯ এর জন্য অনেকটা বাধা প্রাপ্ত হয়, তারপর ও ঘড়া ২০২০ এ IVF Lab Setup সম্পন্ন হয়। এখন থেকে ভারতে গিয়ে Infertility i  যে চিকিৎসা পাওয়া যেত তা বাংলাদেশের শ্রীমঙ্গলেই সেই মানের চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব। এরই মধ্যে দীপশিখাতে IVF Lab এ সর্বাধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগে IVF, ICSI, Embryo Freezing , Sperm freezing ,Semen Freezing mn Tese, Tesa, Pese, Pesa ইত্যাদি করা হচ্ছে ইতিমধ্যে ৭ জন Azoospermic cyiæli Semen Analysis করে Teseকরে ৫ জনের মধ্যে Spermপাওয়া যায় এবং এগুলো কে Cryopreservationকরা হয় । এরই মধ্যে IVFএর রোগী Selection এর কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান। এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করেন দীপশিখা ইনফাটিলিটি কেয়ার এন্ড কাউন্সিলিং সেন্টার এ ২০২১ জানুয়ারীর শেষ সপ্তাহে IVF প্রথম ব্যাচ দিয়ে প্রথম Test Tube Baby যাত্রা শুরু হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট এ এস এম আজাদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তী, অধ্যাপক অবিনাশ আচার্য্য ও মেডিক্যাল স্টুডেন্ট দৈপারনী পাল, ডা: নাহিয়ান আল শাকিব, মেডিক্যাল এসিসটেন্ট ক্রীকা দাশ ও সুরঞ্জিত দত্ত পান্না সহ জেলা ও উপজেলার অর্ধশত গণমাধ্যমকর্মী।




কমলগঞ্জে প্রচেষ্টার উদ্যোগে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা প্রচেষ্টা’র আয়োজনে চাইল্ড ফান্ড কোরিয়া’র অর্থায়নে এবং এডোকো’র সার্বিক সহযোগিতায় করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে উপজেলার আলীনগর ও মাধবপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে বুধবার ও বৃহস্পতিবার এসব খাদ্যদ্রব্য ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরন করা হয়।

বিতরনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাধবপুর ইউপি চেয়ারম্যান পুষ্প কুমার কানু, আলীনগর ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক বাদশা, প্রচেষ্টার প্রজেক্ট অফিসার সানতারা বানু চৌধুরী, বিজয় কৈরী, ইউপি সদস্য গৌরি রাণী কৈরী, উত্তম গোয়ালা, আলীনগর চা বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি গনেশ পাত্র, মণিটরিং অফিসার হেড অফিস মসিউর রহমান, হিসাব রক্ষক হেড অফিস নুরুল আমিন. স্বপন চন্দ্র দাস, প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মুক্তা দে, ইউপি সদস্য ছাবিদ আলী, সুমিত্রা রানী। দুদিনে আলীনগর চা বাগানে ৬৩ জন এবং মাধবপুর, ধলই, মদনমোহনপুর, পাত্রখোলা চা বাগানের ১৮৭ জনের মাঝে বালতি, চাল, ডাল, তেল, সাবানসহ অন্যান্য সামগ্রী প্রদান করা হয়।




কমলগঞ্জে চা শ্রমিকদের মাঝে খাদ্রসামগ্রী ও স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে চা শ্রমিকদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ করেছে বেসরকারী সংস্থা ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্স। বৃহষ্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ফুলবাড়ী চা বাগানের ১০০ চা শ্রমিক ও বিকাল ৩টায় মাধবপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে নুরজাহান চা বাগানের ১০০ চা শ্রমিকদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী ও স্বাস্থ্য উপকরণ বিতরণ করা হয়।
ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্স, শ্রীমঙ্গল এর প্রকল্প সমন্বয়কারী চাঁদনী রায়ের সভাপতিত্বে ও আলোয় আলোয় প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা সাইফুর রহমান সায়েলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান, মাধবপুর ইউপি চেয়ারম্যান পুষ্প কুমার কানু, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি শাব্বির এলাহী, নুরজাহান চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি তরনী ফুলমালী প্রমুখ। বিতরণকৃত খাদ্য সামগ্রী ও স্বাস্থ্য উপকরণের প্রতি প্যাকেটে ১০ কেজি চাল, ২ কেজি আলু, ২ কেজি ডাল, ১ লিটার সয়াবিন, ১টি ঢাকনাযুক্ত বালতি, ২টি এন্টিসেপটিক সাবান ও ৪ টি করে মাস্ক ছিল।




সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।

শীতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি ঠেকাতে দেশের মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সরকার। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় রোববার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোভিড-১৯-এর সংক্রমণ রোধে অন্য পদক্ষেপের পাশাপাশি ধর্মীয় উপসনালয়ে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা আরোপ করে মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। ইদানীং গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করা যাচ্ছে যে, সারা দেশে বিশেষ করে মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ অন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মাস্ক ব্যবহারে শৈথিল্য পরিলক্ষিত হচ্ছে। সম্ভাব্য দ্বিতীয় ঢেউয়ে কোভিড-১৯ সংক্রমণ পরিস্থিতিতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব ক্ষেত্রে মাস্ক পরা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের নির্দেশনা রয়েছে।

এছাড়া মসজিদ ও মন্দিরসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে কতগুলো নির্দেশনা জারি করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে রয়েছে- মসজিদে সব মুসল্লির মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরে প্রবেশের জন্য প্রতি ওয়াক্ত নামাজের আগে মসজিদের মাইকে প্রচার চালানোর পাশাপাশি এ বিষয়ে মসজিদের ফটকে ব্যানার প্রদর্শন মসজিদ কমিটিকে নিশ্চিত করতে হবে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ অন্য ধর্মের অনুসারীরা আবশ্যিকভাবে মাস্ক পরে উপাসনালয়ে প্রবেশ করবেন। মাস্ক পরে উপাসনালয়ে প্রবেশের জন্য ফটকে ব্যানার প্রদর্শনের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উপাসনালয় কমিটিকে নিশ্চিত করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘নো মাস্ক-নো সার্ভিস’ বিষয়ে সর্বসাধারণকে বিশেষভাবে সচেতন করার জন্য ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে। স্লোগানটি সব উন্মুক্ত স্থান এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পোস্টার বা ডিজিটাল প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রাখতে হবে। কিছুক্ষণ পরপর সাবান পানি দিয়ে হাত ধোয়াসহ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ জারি করা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে দেশের সব মসজিদ ও অন্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে মাইকের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে এসব ঘোষণা আবশ্যিকভাবে প্রচার অব্যাহত রাখার জন্য স্থানীয় প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, বৌদ্ধ ধর্মীয় ট্রাস্ট ও খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদ ও উপাসনালয়ের পরিচালনা কমিটিকে অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।




অবশেষে ভেন্টিলেটর তৈরি করলেন সিলেটের চার তরুণ

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সংকটাপন্ন রোগীদের কথা চিন্তা করে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহারে টারবাইন বেইজড ওপেন সোর্স ভেন্টিলেটর তৈরি করেছেন সিলেটের চার ‘বিস্ময় তরুণ’। এই চার তরুণের দু’জন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবি) এবং অপর দুজন সিলেট মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়ের (এমইউ) সাবেক শিক্ষার্থী। তাদের একটি টিম রয়েছে, যেটার নাম ‘ক্রাক্স’।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও ক্রাক্সের দলনেতা সৈয়দ রেজওয়ানুল হক নাবিল জানান, সরকারি সহায়তা পেলে অল্প সময়ের মধ্যে এগুলো বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন ও বিপণন করা সম্ভব। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সংকটাপন্ন রোগীদের কথা মাথায় রেখে বিগত প্রায় চার মাসে তারা এই ভেন্টিলেটর তৈরি করেছেন। তাদের তৈরি ভেন্টিলেটর সহজে বহনযোগ্য এবং এটা চালাতে কম বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। এ কারণে এটি অ্যাম্বুলেন্সেও ব্যবহার করা যাবে।

ভেন্টিলেটরটির শব্দ কম হওয়ায় রোগীদের কোনো অসুবিধা হবে না। এটিতে একটি অ্যাপস ব্যবহার করা হয়েছে। এই অ্যাপসের মাধ্যমে ভেন্টিলেটরকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং ভেন্টিলেটরের বিভিন্ন প্যারামিটার দেখা যায়।

নিজেদের উদ্ভাবন সম্পর্কে নাবিল আরও বলেন, আমরা যে মেডিকেল ভেন্টিলেটরটি তৈরি করেছি সেটি টারবাইন বেইজড। এর ভেতর একটি টারবাইন রয়েছে যা পজিটিভ প্রেসার তৈরি করে। এই ভেন্টিলেটরের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি। আমরা যতটুকু করেছি তা ওপেন সোর্স করে দিয়েছি। ফলে যে কেউ এর প্রযুক্তি দেখতে পারবে এবং এটি নিয়ে কাজ করতে পারবে।

তিনি বলেন, এই ভেন্টিলেটরটি PRVC, SIMV, PCV মুডগুলো সাপোর্ট করে। ডিভাইসটির GUI সফটওয়্যারটি তৈরি করা হয়েছে অ্যানড্রয়েড প্লাটফর্মে যেটি দিয়ে এর বিভিন্ন প্যারমিটার ইনপুট দেয় এবং দেখা যায়। এর স্ক্রিনটি ৮ ইঞ্চির। যার ফলে এতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ডাটা যেমন প্রেসার, এয়ার ফ্লো, ভলিউম , BPM, Ti ইত্যাদি গ্রাফিকালি এবং নিউমেরিক্যালি দেখা যায়।