1

শতাব্দীর সবচেয়ে দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ আজ

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।।

বর্তমান শতাব্দীর সবচেয়ে দীর্ঘতম আংশিক চন্দ্রগ্রহণ হতে যাচ্ছে আজ। গত ৫৮০ বছরের মধ্যে এতো দীর্ঘ সময়ের জন্য চন্দ্রগ্রহণ আর হয়নি।

সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ যখন একই সরলরেখায় চলে আসে তখনই চন্দ্রগ্রহণ হয়। সূর্য এবং চাঁদের মাঝখানে পৃথিবী চলে আসে। তখন সূর্যের আলো পৃথিবীতে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে চাঁদের উপরে পড়তে পারে না।

চাঁদ যেহেতু সূর্যের আলোয় আলোকিত, সেজন্য সূর্যের আলো পৃথিবীর দ্বারা আটকে গেলে চন্দ্রগ্রহণ হয়। চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া দেখি। তবে চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ পুরোপুরি অন্ধকার হয়ে যায় না । পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে কিছুটা আলো চাঁদের উপর পড়ে। তখন অনেকটা লালচে আকার ধারণ করে।

এবারের চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদের প্রায় ৯৭ শতাংশ পৃথিবীর ছায়া দ্বারা ঢেকে যাবে বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।

১০০ বছরের দীর্ঘতম এই চন্দ্রগ্রহণটি দেখা যাবে বাংলাদেশ থেকেও। আজ পৃথিবী চলে আসবে সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে। পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপরে পড়ায় শুরু হবে গ্রহণ।

এই চন্দ্রগ্রহণ প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হবে বলে জানা গেছে। যদিও এটি পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ নয়। এই গ্রহণে ঢাকা পড়বে চাঁদের ৯৭ শতাংশ।

টাইম জোনের হিসাব অনুযায়ী, মহাজাগতিক এই দৃশ্য উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের একাংশ থেকেও দেখা যাবে।

এই চন্দ্রগ্রহণ চলবে তিন ঘণ্টা ২৮ মিনিট ২৩ সেকেন্ড। ২০০১ থেকে ২১০০ এই ১০০ বছরে এটাই হতে চলেছে এই শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ। এই ১০০ বছরে মোট ২২৮টি চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে।

এর মধ্যে অনেক ক্ষেত্রেই এক মাসের মধ্যে দুটি করেও চন্দ্রগ্রহণ হবে। তবে দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণের দেখা মিলবে আজ।

মূল চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা ১টা ১৯ মিনিটে। চলবে তিন ঘণ্টা ২৮ মিনিট ২৪ সেকেন্ড। এরপর পিনামব্রাল চন্দ্রগ্রহণের সময় তা বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে।

গ্রহণের এ পর্যায়ে পৃথিবীর প্রচ্ছায়ায় না থেকে উপচ্ছায়ায় থাকে চাঁদ। আর মূল গ্রহণের মতো চমকপ্রদও নয়। তবুও আজ বিকেল সোয়া ৫টার দিকে চাঁদে চোখ রাখতে পারেন।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আকাশ যদি পরিষ্কার থাকে তাহলে আংশিক গ্রহণের শেষ দিকে দেখা যাবে বাংলাদেশ থেকে।

ঢাকায় বিকেল ৫টা ১৩ মিনিট, ময়মনসিংহে ৫টা ১১ মিনিট, চট্টগ্রামে ৫টা ১০ মিনিট, সিলেটে ৫টা ৫ মিনিট, খুলনায় ৫টা ১৮ মিনিট, বরিশালে ৫টা ১৫ মিনিট, রাজশাহীতে ৫টা ১৯ মিনিট এবং রংপুরে ৫টা ১৪ মিনিট থেকে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে বলে জানানো হয়।

চন্দ্রগ্রহণ চলাকালে চাঁদের ৯৭ অংশ লাল হয়ে থাকবে যেটি ‘ব্লাড মুন’ নামেও পরিচিত। চন্দ্রগ্রহণ সবচেয়ে ভালোভাবে দৃষ্টিগোচর হবে উত্তর আমেরিকায়। সেখানকার ৫০টি প্রদেশ ও মেক্সিকো থেকে গ্রহণের প্রতিটি মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে পারবেন মহাকাশপ্রেমীরা। তবে পৃথিবীর সব জায়গা থেকে এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে না। তবে ইন্টারনেটে দেখা যাবে এই গ্রহণ।




মৌলভীবাজার ডিজিটাল বাংলাদেশ ই-সেবা ক্যাম্পেইন-২০২১উদ্বোধন

কমলকন্ঠ রিপোর্ট।। মৌলভীবাজার ডিজিটাল সেন্টারের ১১ বছর পূর্তি উদযাপন ও ডিজিটাল বাংলাদেশ ই-সেবা ক্যাম্পেইন -২০২১ উদ্বোধন করা হয়।

বুধবার (১৭ নভেম্বর) এ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মীর নাহিদ আহসান।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ আবদুল হক এর সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।




কমলগঞ্জ উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।
‘খাদ্যের কথা ভাবলে, পুষ্টির কথা ভাবুন’ এ প্রতিপাদ্যকে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করতে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির দ্বি-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশেকুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান। আলোচনায় অংশ নেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম, রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল, মুন্সীবাজার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোতালিব তরফদার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ডা: এম. মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া, উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার ডা: মো: হিদায়েতুল্লাহ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম তালুকদার, উপজেলা কৃষি অফিসার জনি খান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রিপন চন্দ্র দেব, উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার মধুছন্দা দাস, প্রধান শিক্ষক রনেন্দ্র কুমার দেব, অধ্যাপক শাহাজান মানিক, হীড বাংলাদেশ এর লিয়াজোঁ অফিসার নুরে আলম সিদ্দিক, প্রেসক্লাব সভাপতি বিশ্বজিত রায়, সাংবাদিক মুজিবুর রহমান রঞ্জু, সাংবাদিক প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, সুচনা প্রকল্পের উপজেলা কো-অর্ডিনেটর মোস্তফা হায়দার মিলন, উপজেলা পুষ্টি কর্মকর্তা এবিএম মোয়াজ্জেম হোসেন প্রমুখ।




শমশেরনগরে গ্রামীণ ফোন সেন্টারের উদ্বোধন

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগরে গ্রামীণ ফোন সেন্টারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শমশেরনগর বাজারের ভানুগাছ রোডে গ্রামীণ ফোন সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়। গ্রামীণ ফোন সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেন, গ্রামীণ ফোন সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রধান এস,কে ইফতেখার আহমেদ, সার্কেল রিটেইল হেড মো. হাসান মাহমুদ, সিলেট সার্কেল এর ডিস্ট্রিবিশউন প্ল্যানিং হেড ফিরোজ আল মামুন, এইচ.আর হেড মাহমুদুল হাসান ভূঁইয়া, মৌলভীবাজার এরিয়া ম্যানেজার জাকারিয়া তানভীর সৌদ, রিটেইল চ্যানেল ম্যানেজার আব্দুল মোতালেব রাসেল, শুভ্র কান্তি সেন, কমলগঞ্জের টেরিটরি ম্যানেজার শামীম শরীফ, কমলগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল মালিক বাবুল প্রমুখ।




কাপড় থেকে ঘামের দাগ দূর করবেন যেভাবে

ডেস্ক রিপোর্ট ।।

প্রিয় পাঠকরা, শীতে শেষে যখন গরমে পড়ে ।  আর এই গরম মানেই সূর্যের তীব্র তাপ এবং শরীরের ঘাম। আর এই ঘামের কারনেই পরনের জামা- কাপড় নষ্ট হয়।

তাই এই ঘাম থেকে পরনের পছন্দের কাপড় গুলোকে ভালো রাখতে আমরা সবাই নানা পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকি। কিন্তু সহজে এই ঘামের দাগ থেকে মুক্তি পাওয়া সত্যিই অসম্ভব একটি কাজ। অল্প বা বেশি যতটুকুই ঘাম বেড় হোক না কেনো অল্প অল্প করে ঠিকই কাপড় নষ্ট হতে শুরু করে।

অনেকেই এই ঘামের দাগ উঠাতে অনেকেই অনেক নামি- দামি ব্রান্ডের ডিটারজেন্ট পাউডার ব্যবহার করে থাকেন। অনেকে তো আবার ডিওডোরেন্টও ব্যবহার করে থাকেন। তবে এতে করেও আশানুরূপ ফল পাওয়া যায় না। বরং এগুলো ব্যবহারের ফলে কাপড়ের রঙ নষ্ট হয়ে যায়। যার কারনে সবার চিন্তার কারন হয়ে দাঁড়ায় কাপড়ের গুণগত মান ঠিক রাখার এই বিষয়টি ।

তবে এই সকল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আপনি নিজেই ঘরোয়া ভাবে এই দাগ খুব সহজেই উঠাতে পারবেন। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে খুব সহজেই ঘামের থেকে তৈরি হওয়া হলুদ দাগ  নিমিষেই দূর করা যায় । আপনি যদি ঘামের দাগ কাপড় থেকে খুব সহজেই উঠাতে চান তাহলে আপনি ভিনেগার ও দানাদার লবনের সাহায্যেই উঠাতে পারেন। হ্যা কথাটা ঠিক বলছি।

প্রথমে কাপড়ের যে স্থানে ঘামের কারনে দাগ হয়েছে সে জায়গাগুলোতে ভালোভাবে ভিনেগার ঢালতে হবে। এরপর মোটা দানাদার লবন দিয়ে ঘষতে হবে। হালকা করে ঘষার পর রোদে কাপড় শুকাতে হবে। শুকানো শেষে ভালো করে কাপড় ধুতে হবে। এই উপায়ে আপনার কাপড়ের রঙ নষ্ট হবে না।

যারা নামি- দামি  ডিটারজেন্ট পাউডার ব্যবহার করে কাপড় নষ্ট করে ফেলচ্ছেন তাদের এই পদ্ধতি ব্যবহার করার অনুরোধ করা হলো। কারন এই উপায়ে কাপড়ের গুণগত মান টিকে থাকার পাশাপাশি খুব সহজেই ঘামের কারনে তৈরিকৃত দাগ নিমিষেই চলে যায়। যেভাবে কাপড় থেকে নিমিষেই ঘামের দাগ উঠাতে পারবেন সেটা নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন।




প্রথম পর্যটন বান্ধব টেস্টটিউব বেবি সেন্টার স্থাপন হলো শ্রীমঙ্গলে

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে স্থাপিত হলো পর্যটন বান্ধব স্পেশালাইজড হসপিটাল দীপশিখা ইনফার্টিলিটি কেয়ার এন্ড কাউন্সিলিং সেন্টার।
১৯ ডিসেম্বর শনিবার বিকেলে শ্রীমঙ্গল শহরের কলেজ রোডে প্রতিষ্ঠানটির কনফারেন্স হলে সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘোষনা দেন প্রতিষ্ঠানটির এমডি অধ্যাপক দীপশিখা ধর। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির স্বপ্নদ্রষ্টা গাইনী বিশেষজ্ঞ কনসালটেন্ট ডাঃ নিবাস চন্দ্র পাল জানান, এটি সিলেট বিভাগে প্রথম এবং একমাত্র বন্ধাত্ব চিকিৎসার প্রতিষ্ঠান। সন্তানহীন মা বাবাদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য তিনি এ টেস্টটিউব বেবী সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন। আর সিলেট বা অন্য বড় শহরে না করে শ্রীমঙ্গলে করার কারণ হিসেবে তিনি জানান, এটি পর্যটন শহর। এখানে এ পদ্ধতি গ্রহন ও বেড়ানো একসাথে দুটোই হবে।
প্রেসব্রিফিং শেষে প্রজেক্টারের মাধ্যমে গণমাধ্যমকর্মীদের এ পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করেন ডা: নিবাস চন্দ্র পাল।
প্রতিষ্ঠানটির এমডি অধ্যাপক দীপশিখা ধর জানান, দীপশিখা ইনফার্টিলিটি কেয়ার এন্ড কাউন্সিলিং সেন্টার এর যাত্রা শুরু হয় ২০১২ সালে, সিলেট বিভাগে প্রথম এবং একমাত্র বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার সূতিকাগার হিসাবে। প্রথম দিকে রোগীদের কে বন্ধ্যাত্ব সম্পর্কে Counselling GesHormone Analysis, Semen Analysis Ges Medical Treatment দিয়েই শুরু করা হয় বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার কাজ। সাফল্য আসে প্রায় ১৮%।
পরবর্তীতে Fertility Promoting Surgery  I IUI পদ্বতির মাধ্যমে আরো উন্নত চিকিৎসা সেবা শুরু করা হয়। এ পর্যন্ত ৫৪৫ সংখ্যক Fertility Promoting Surgery হয়েছে এবং এর মাধ্যমে কাংখিত সাফল্য প্রায় ১০৯ জনের অর্থাৎ ২০%। শুরু থেকে এ পর্যন্ত ওটও পদ্বতিতে চিকিৎসা নিয়েছেন ৩৩১ জন Couple,কাংখিত সাফল্য ৪৯,অর্থাৎ ১৫%।আনন্দের খবর হল এই সেন্টারের সাফল্যর হার আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণ।

বর্তমানে ২০২০ সালে Infertility i পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সেবা দেবার লক্ষ্যে এগিয়ে যায় দীপশিখা ইনফার্টিলিটি সেন্টার। যদিও Covid ১৯ এর জন্য অনেকটা বাধা প্রাপ্ত হয়, তারপর ও ঘড়া ২০২০ এ IVF Lab Setup সম্পন্ন হয়। এখন থেকে ভারতে গিয়ে Infertility i  যে চিকিৎসা পাওয়া যেত তা বাংলাদেশের শ্রীমঙ্গলেই সেই মানের চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব। এরই মধ্যে দীপশিখাতে IVF Lab এ সর্বাধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগে IVF, ICSI, Embryo Freezing , Sperm freezing ,Semen Freezing mn Tese, Tesa, Pese, Pesa ইত্যাদি করা হচ্ছে ইতিমধ্যে ৭ জন Azoospermic cyiæli Semen Analysis করে Teseকরে ৫ জনের মধ্যে Spermপাওয়া যায় এবং এগুলো কে Cryopreservationকরা হয় । এরই মধ্যে IVFএর রোগী Selection এর কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান। এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করেন দীপশিখা ইনফাটিলিটি কেয়ার এন্ড কাউন্সিলিং সেন্টার এ ২০২১ জানুয়ারীর শেষ সপ্তাহে IVF প্রথম ব্যাচ দিয়ে প্রথম Test Tube Baby যাত্রা শুরু হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট এ এস এম আজাদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তী, অধ্যাপক অবিনাশ আচার্য্য ও মেডিক্যাল স্টুডেন্ট দৈপারনী পাল, ডা: নাহিয়ান আল শাকিব, মেডিক্যাল এসিসটেন্ট ক্রীকা দাশ ও সুরঞ্জিত দত্ত পান্না সহ জেলা ও উপজেলার অর্ধশত গণমাধ্যমকর্মী।




কমলগঞ্জে রিহ্যাব বাংলাদেশের নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্টিত


কমলকন্ঠ রিপোর্ট ::


মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে নারীর প্রাথমিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বুধবার (১১ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় কমলগঞ্জ পৌরসভা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

রিহ্যাব বাংলাদেশের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিপিডিএ চিকিৎসক কামরজ্জামান সিমু। চিকিৎসক আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক, গেষ্ট অব অনার ছিলেন কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. জুয়েল আহমেদ। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রিহ্যাব বাংলাদেশ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাসুদ কামাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম, শ্রীমঙ্গল উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শাহেদা আকতার, কমলগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মধুছন্দা দাস ও কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক বিশ্বজিৎ রায় ।

জেএস এন্টারপ্রাইজ সিলেট বিভাগীয় পরিবেশক ও রিহ্যাব বাংলাদেশের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানে অন্যন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ রিপোর্টার্স  ইউনিটির সভাপতি  সাংবাদিক পিন্টু দেবনাথ, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শাহীন আহমেদ,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কমলগঞ্জ উপজেলা ইউনিটের সদস্য সচিব সাংবাদিক রাজু দত্ত । উদ্বোধনী অনুষ্টানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চিকিৎসক বাবলী রানী নাথ। উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিপিডিএ চিকিৎসকবৃন্দ ও রিহাব বাংলাদেশের মাঠকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




অবশেষে ভেন্টিলেটর তৈরি করলেন সিলেটের চার তরুণ

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সংকটাপন্ন রোগীদের কথা চিন্তা করে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহারে টারবাইন বেইজড ওপেন সোর্স ভেন্টিলেটর তৈরি করেছেন সিলেটের চার ‘বিস্ময় তরুণ’। এই চার তরুণের দু’জন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবি) এবং অপর দুজন সিলেট মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়ের (এমইউ) সাবেক শিক্ষার্থী। তাদের একটি টিম রয়েছে, যেটার নাম ‘ক্রাক্স’।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও ক্রাক্সের দলনেতা সৈয়দ রেজওয়ানুল হক নাবিল জানান, সরকারি সহায়তা পেলে অল্প সময়ের মধ্যে এগুলো বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন ও বিপণন করা সম্ভব। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সংকটাপন্ন রোগীদের কথা মাথায় রেখে বিগত প্রায় চার মাসে তারা এই ভেন্টিলেটর তৈরি করেছেন। তাদের তৈরি ভেন্টিলেটর সহজে বহনযোগ্য এবং এটা চালাতে কম বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। এ কারণে এটি অ্যাম্বুলেন্সেও ব্যবহার করা যাবে।

ভেন্টিলেটরটির শব্দ কম হওয়ায় রোগীদের কোনো অসুবিধা হবে না। এটিতে একটি অ্যাপস ব্যবহার করা হয়েছে। এই অ্যাপসের মাধ্যমে ভেন্টিলেটরকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং ভেন্টিলেটরের বিভিন্ন প্যারামিটার দেখা যায়।

নিজেদের উদ্ভাবন সম্পর্কে নাবিল আরও বলেন, আমরা যে মেডিকেল ভেন্টিলেটরটি তৈরি করেছি সেটি টারবাইন বেইজড। এর ভেতর একটি টারবাইন রয়েছে যা পজিটিভ প্রেসার তৈরি করে। এই ভেন্টিলেটরের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি। আমরা যতটুকু করেছি তা ওপেন সোর্স করে দিয়েছি। ফলে যে কেউ এর প্রযুক্তি দেখতে পারবে এবং এটি নিয়ে কাজ করতে পারবে।

তিনি বলেন, এই ভেন্টিলেটরটি PRVC, SIMV, PCV মুডগুলো সাপোর্ট করে। ডিভাইসটির GUI সফটওয়্যারটি তৈরি করা হয়েছে অ্যানড্রয়েড প্লাটফর্মে যেটি দিয়ে এর বিভিন্ন প্যারমিটার ইনপুট দেয় এবং দেখা যায়। এর স্ক্রিনটি ৮ ইঞ্চির। যার ফলে এতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ডাটা যেমন প্রেসার, এয়ার ফ্লো, ভলিউম , BPM, Ti ইত্যাদি গ্রাফিকালি এবং নিউমেরিক্যালি দেখা যায়।




মৌলভীবাজার থেকে চালু হচ্ছে “উইথগ্রাম” নামে এক নতুন সোস্যাল মিডিয়া

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।। সামাজিক যোগাযোগের জন্য আসছে নতুন প্ল্যাটফর্ম “উইথগ্রাম ডটকম”। বিশ্বব্যাপী সামাজিক যোগাযোগ ও মাইক্রো ব্লগিংয়ের জন্য ইতিমধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে এটি। উদ্যেক্তরা জানান, নিজেদের আগ্রহ থেকেই বিভিন্ন সাইট নিয়ে গবেষণা শুরু করে তথ্য নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হয়েছে Withgram। ‘ নতুন এই সোস্যাল মিডিয়ায় রয়েছে ফেইসবুক-টুইটারে মতো বৈচিত্রপূর্ণ ফিচার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট, লাইক, কমেন্ট, চ্যাটসহ সব ধরনের সুযোগ সুবিধা। রয়েছে টুইটারের মত হ্যাশট্যাগ ট্যান্ড, এছাড়া অডিও কমেন্ট, সার্চ (খোঁজা), ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা শ্রেণীপেশার মানুষের চাহিদা মেটাতে রয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিংসহ সব স্মার্ট আইডিয়া।
তরুণ এসব উদ্যেক্তরা জানিয়েছেন এবারের বিজয় দিবসে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করবে Withgram। উদ্যেক্তা মেরাজুল ইসলাম বলেন, সবার জন্য সহজে ব্যাবহার করার জন্য ইউজার ইন্টারফেস নিয়েও কাজ চলছে। এতে সহজেই মোবাইল নাম্বার দিয়েও একাউন্ট খুলা যাবে। তিনি বলেন, উদ্ভোধনের পূর্বেই গুগল প্লে-স্টোরে পাওয়া যাবে Withgram এর আলফা ভার্র্সন এ্যাপস ও মেসেঞ্জার। এদিন নতুন এ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আরো নতুন নতুন ফিচার উদ্বোধন করা হবে। বিশ্বের সবার চাইতে বাংলাদেশের ব্যবহারকারীরা এ সোস্যাল মিডিয়ায় বেশি সুবিধা পাবেন বলে জানান Withgram এর উদ্যেক্তরা।




বিপাকে মৌলভীবাজারের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা ।। ব্যাংকগুলোর ঋণ দিতে অনিহা

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।। মৌলভীবাজারে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে অনিহা সরকারি ও বেসরকারী ব্যাংকের। ব্যাংক ম্যানেজারদের দ্বারে দ্বারে হেঁটে কুলকিনারা পাচ্ছেন না ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এমনিতে করোনায় ব্যবসায় লোকশান গুণতে হচ্ছে। অপরদিকে ব্যাংকগুলোতে ঘুরে ঘুরে হয়রানির শিকার হচ্ছেন তারা। সরকারের পক্ষ থেকে একাধিকবার নির্দেশনা দিলেও আমলেই নিচ্ছেন না স্থানীয় ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকরা। এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা।

জানা যায়, করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতের উদ্যোক্তাদের টিকিয়ে রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ২০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজের বিশেষ ঋণ সুবিধা ঘোষণা করে সরকার। কিন্তু নানা অজুহাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্যাকেজ থেকে ঋণ বিতরণে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এদিকে প্যাকেজ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলো সরকারের কাছ থেকে বেশকিছু সুবিধা নিলেও ছোট ব্যবসায় ঋণ বিতরণে অনীহা দেখাচ্ছে। যার ফলে নায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রান্তিক খামারীরা। ব্যহত হচ্ছে সরকারের কৃষি খাতের জন্য এই উদ্যোগ।