1

পুলিশের দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স এর সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ

জানুয়ারী ১৩, ২০২২: স্টাফ রিপোর্টার॥ জেলা পুলিশের আয়োজনে মৌলভীবাজার পুলিশ লাইন্সে বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল ও নায়েক পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের জন্য এক সপ্তাহ মেয়াদী ধারাবাহিক দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স এর সমাপনী ও সনদপত্র বিতরন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদর্শন কুমার রায়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাবু সুদর্শন কুমার রায় বলেন, “এক সপ্তাহ মেয়াদী এ প্রশিক্ষণ পুলিশের বাস্তব কর্মজীবনের দক্ষতা উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যা পুলিশ সদস্যদের আরো দক্ষ ও স্মার্ট করে তুলবে।”

তারপর মেধাক্রম অনুযায়ী প্রশিক্ষনার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। এসময় সদর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর নব গোপাল দাশ ও অন্যান্য প্রশিক্ষক প্রশিক্ষনার্থীগণ উপস্থিত ছিলেন।




করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে শেরপুরে মাছের মেলার অনুমতি মেলেনি

জানুয়ারী ১৩, ২০২২: কমলকন্ঠ রিপোর্ট॥ এবারও হলোনা মৌলভীবাজারের শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা। মহামারি করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মাছের মেলার অনুমতি মেলেনি।

প্রায় ২শত বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে সিলেট বিভাগের চার জেলার মিলনস্থল মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুরে। তবে মহামারি করোনা পরিস্থিতির কারণে গত বছর (২০২১) মেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। এবছরও একই কারণে মেলার অনুমতি মেলেনি।

শেরপুর থেকে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি সাংবাদিক নূরুল ইসলাম জানিয়েছেন, করোনা প্রতিরোধে প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক এবছরও মাছের মেলার আয়োজন হয়নি।

জানা যায়, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মনুমুখ এলাকায় মথুর বাবু নামের একজন জমিদার প্রায় ২শত বছর পূর্বে পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে এ মাছের মেলার আয়োজন করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজও প্রতিবছর পৌষ সংক্রান্তিকে কেন্দ্র করে আয়োজন হয়ে থাকে ঐ মেলাটি। ক্রমান্বয়ে মেলাটি স্থানান্তরিত হয় উপজেলার শেরপুরের কুশিয়ারা নদীর তীরে। প্রতিবছর পৌষ সংক্রান্তিতে মেলাটির আয়োজন হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য, এই মেলাটি মাছের মেলা নামে পরিচিত হলেও মেলায় ফার্নিচার, গৃহস্থলী সামগ্রী, খেলনা সামগ্রীসহ গ্রামীণ ঐতিহ্যের বিভিন্ন ধরনের দোকান বসে থাকে। মেলাটি ঐ এলাকায় সার্বজনীন উৎসবে রূপ নিয়ে থাকে। মূল মেলার আগে ও পরে সময় বাড়িয়ে এটিকে তিন দিনের আয়োজনে রূপ দেওয়া হয়েও থাকে।

প্রতিবছর সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাওর বাওরের মাছের উপর নির্ভর করে এই মাছের মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। মাছের মেলাকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই কে কত বড় আকৃতির মাছ মেলায় ওঠাতে পারেন এ নিয়ে ভেতরে ভেতরে ব্যবসায়ীদের মধ্যে চলে এক ধরনের প্রতিযোগিতা। এতে মৎস্যজীবিরা মেলায় মাছ বিক্রির জন্য প্রায় ৪/৫ মাস পূর্বে থেকেই মাছ সংগ্রহ করতে শুরু করেন। ঐ মাছগুলো বিশেষ পন্থায় পানিতে জিইয়ে তাজা রাখেন। তবে গেলো বছরের ন্যায় এবছরেও মেলা না হওয়ায় এলাকার মৎস্যজীবিদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। অনেক ব্যবসায়ী মাছ সংগ্রহে রেখেছেন। কিন্তু মেলা না হওয়াতে তাদের অনেককেই এখন লোকসান গুণতে হবে।




কমলগঞ্জে সাংসদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

জানুয়ারী ১৩, ২০২২: স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) নির্বাচনী আসনের সাংসদ সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদের ওপর গত ২ জানুয়ারি রাতে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে কমলগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় কমলগঞ্জ পৌর নাগরিক ফোরামের আয়োজনে এ বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্ব দেন কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ জুয়েল আহমেদ। কমলগঞ্জ পৌরসভা প্রাঙ্গন থেকে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি ভানুগাছ বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।




আজ পৌষ পার্বণ : বাঙালী সংস্কৃতির বিশেষ উৎসব

বিশ্বজিৎ রায় ।। আজ পৌষ পার্বণ। বাঙালি সংস্কৃতির একটি বিশেষ উৎসবের দিন। প্রতিবছর বাংলা পৌষ মাসের শেষ দিনে আয়োজন করা হয় এ উৎসবের। এর মাধ্যমে আমরা পৌষ মাসকে বিদায় জানাই ও মাঘ মাসকে আলিঙ্গন করি। একে আবার অনেকে ‘মকর সংক্রান্তি’ও বলে থাকেন।

সংস্কৃত শব্দ ‘সংক্রান্তি’ মূলত জ্যোতিষশাস্ত্রের একটি ক্ষণ বা সময়। এর দ্বারা সূর্যের এক রাশি থেকে অন্য রাশিতে প্রবেশ করাকে বোঝানো হয়ে থাকে। এই সময়ে সূর্য তার নিজ কক্ষপথ থেকে মকর রাশিতে প্রবেশ করে তাই এর নাম মকর সংক্রান্তি। ভারতীয় জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে, ১২টি রাশি অনুযায়ী এরকম সর্বমোট ১২টি সংক্রান্তি রয়েছে।

পৌষ পার্বণ আবহমানকাল ধরে গ্রামীণ লোকসমাজে চর্চা হওয়া বাঙালী সংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই এই দিনটির ধর্মীয় গুরুত্ব ছাড়াও সামাজিক, ভৌগোলিক এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব কোন অংশেই কম নয়। প্রাচীন মহাকাব্য মহাভারতেও এই দিনের তাৎপর্য সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে। প্রতিবছর আমাদের দেশেএই দিনকে ঘিরে যেমন নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্টান পালিত হয় তেমনি আয়োজন করা বিভিন্ন ধরণের সামাজিক সাংস্কৃতিক অনুষ্টানেরও।

https://www.sunnews24x7.com/storage/news/4.3_1579167576.jpg

১সপ্তাহ আগে থেকেই শুরু হয় প্রস্তুতি। বাংলার বধূরা তৈরী করেন নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী বিভিন্ন নকশা ও সুস্বাদু পিঠা। সংক্রান্তির দিনে এই পিঠা-পুলি, পায়েস, দই-চিড়া, তিলু-কদমা আর নকুল-বাতাসার পাশাপাশি এই উৎসবের অন্যতম উপাদেয় খাবার গুড় দিয়ে তৈরি তিলের লাড্ডু আর চোঙা পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে। সনাতন হিন্দু স¤প্রদায়ের প্রতিটি বাড়িতে শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও প্রতিবেশীর বাড়ি গিয়ে পিঠা-পুলি খাওয়া আর কিশোররা ঘুড়ি উড়ানোর প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেন।

বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে পৌষ সংক্রান্তি সংরাইন নামে পরিচিত। পৌষ সংক্রান্তিতে সিলেটিদের বিশেষ খাবার আইটেমটি হলো চোঙ্গা পিঠা। যা বাঁশের চোঙার ভেতর চাল ব্যবহার করে তৈরী করা এক বিশেষ ধরণের খাদ্য। চোঙ্গা পিঠা তৈরীতে ব্যবহার করা হয় বিরণী ধানের চাল। যে বাঁশের চোঙায় রান্নার কাজটি হয় সেটিও বিশেষ প্রজাতির বাঁশ। পাহাড়ের ঘন জঙ্গল আর চা বাগানের আশপাশের উঁচু টিলা জমিতে জন্ম নেয়া স্থানীয়ভাবে ডলু বা কালী নামে পরিচিত এই বাঁশ চা শ্রমিকরা সংগ্রহ করে বাজারে এনে বিক্রি করেন। একটি আখি রেখে অন্য আখির কাছাকাছি আড়াআড়ি ভাবে কাটা

পিঠা তৈরির এই বাঁশের ভেতরে পরিমান মতো চাল ও পানি ঢুকিয়ে চোঙার মুখটি খড় দিয়ে ভালোভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপর সেটা বিশেষ ব্যবস্থায় খড়ের বা কাঠের আগুনে পোড়ানো হয়। চাল ঠিকমতো সেদ্ধ হয়ে গেলে চোঙাটি বের করে ঠান্ডা করা হয়। তারপর বাঁশের পাতলা বাকলটি ছাড়িয়ে পিঠা বের করার পর তা খাবারের জন্য পরিবেশন করা হয় আখের রস, গুড়, মধু, দুধ,রান্না সব্জি ইত্যাদি দিয়ে। চুঙ্গা পিঠার বিশেষত্ব: হচ্ছে এই খাবারটি সহজে নষ্ট হয় না, দীর্ঘদিন সংরক্ষন করে রাখা যায়। সিলেট অঞ্চলের গ্রামীণ জনপদে একসময় বড় মাছের ভাজার সঙ্গে চুঙ্গা পিঠা ছিল উৎসব-আমেজের খাবার। কিন্তু সময়ের আবর্তে আজ তা ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে।

https://i.ytimg.com/vi/H8hk4yIyTJE/maxresdefault.jpg

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও তার আশপাশের সনাতন ধর্মাবলম্বিদের কাছে মকর সংক্রান্তি মূলত একটি শস্যোৎসব। সাড়ম্বরে পালিত হওয়া এই উৎসবটি  স্থানীয়ভাবে আউনি বাউনি (বানানান্তরে আওনি বাওনি) বা আগলওয়া উৎসব নামে পরিচিত। এটি ক্ষেতের পাকা ধান প্রথম ঘরে তোলা উপলক্ষ্যে কৃষক পরিবারে পালনীয় একটি বিশেষ অনুষ্ঠান। হেমন্তকালে আমন ধান ঘরে প্রথম তোলার প্রতীক হিসেবে পৌষ সংক্রান্তির দিন কয়েকটি পাকা ধানের শিষ ঘরে এনে একত্রে লম্বা করে বিনুনি পাকিয়ে তার সঙ্গে মুলোর ফুল, সরষে-ফুল, আমপাতা ইত্যাদি গেঁথে ‘আউনি বাউনি’ তৈরি করা হয়। এই আউনি বাউনি ধানের গোলা, ঢেঁকি, বাক্স-পেটরা-তোরঙ্গ ইত্যাদির উপর এবং খড়ের চালে গুঁজে দেওয়া হয়। বছরের প্রথম ফসলকে অতিপবিত্র ও সৌভাগ্যদায়ক মনে করেন সেখানকার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। তারা একটি পবিত্র ঘটে সারা বছর ধরে সংরক্ষণ করা হয় এই ‘আউনি বাউনি’কে।

নতুন ফসলের উৎসব ছাড়াও ভারতীয় সংস্কৃতিতে এই মকর সংক্রান্তিকে অশুভ সময়ের শেষ হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়। পঞ্জিকা মতে, জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে পড়ে এই দিন। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচলিত বাংলা দিনপঞ্জির সাথে সনাতন ধর্মাবলম্বিদের পঞ্জিকার ব্যবধান দু’দিনের। তাই পৌষ সংক্রান্তি হয় দেশের প্রচলিত বাংলা দিনপঞ্জির মাঘ মাসের ২ তারিখ।

ধর্মীয় গুরুত্বের জন্য এই দিনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্নস্থানে বিভিন্ন স্থানে দিবসটিতে পূল্য¯œান ও বিরাট মেলা অনুষ্ঠিত হয়। হাজার হাজার পুণ্যার্থী ও দর্শনার্থীর সমাগম হয় এসব মেলায়। মেলায় বিভিন্ন ধরনের খাবার এবং অন্যান্য উপহার কেনা বেচা ছাড়াও এছাড়াও অয়োজন করা হয় পালা গান, বাউল গানসহ বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের।

https://encrypted-tbn0.gstatic.com/images?q=tbn:ANd9GcSKFF47M6D3acrscHkZf99TlLU6YyqW0nO83QoiO3g33BR5XU6C1facRCOl51WtMee4DMo&usqp=CAU

কোথাও কোথাও আয়োজন করা হয় দিনব্যাপী ঘুড়ি উৎসবের। প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারীরা আগে থেকে ঘুড়ি বানিয়ে এবং সুতায় মাঞ্জা দিয়ে প্রস্তুুুতি সম্পন্ন করে রাখেন। সারাদিন ঘুড়ি উড়ানোর পরে সন্ধ্যায় পটকা ফুটিয়ে ফানুস উড়িয়ে উৎসবের সমাপ্তি করে অনেকে। প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী এই উৎসব বাংলাদেশে মুঘল আমল থেকে পালিত হয়ে আসা এই কিশোরদের ঘুড়ি উড়ানোর প্রতিযোগিতা সিলেট অঞ্চলে এখন আর একটা দেখা যায় না।

পশ্চিম ভারতীয় প্রদেশ গুজরাটে এই ‘মকর সংক্রান্তি’ উৎসবটি পালিত হয় ভিন্ন আঙ্গিকে। সেখানকার লোকজন তাদের প্রিয় দেবতা  সূর্য্য দেবের কাছে নিজেদের ইচ্ছা বা আকুতিকে সুন্দর সুন্দর ঘুড়ির মাধ্যমে প্রকাশ করতে পালন করে ঘুড়ি উৎসব, যা মূলত প্রিয় দেবতার কাছে পৌঁছানোর জন্য একটি রূপক বা প্রতীক হিসেবে কাজ করে। কিছু কিছু এলাকায় মকরসংক্রান্তি সম্মান, অভিলাষ এবং জ্ঞানের দেবী সরস্বতীকে সম্মান প্রদানের মাধ্যমেও প্রকাশিত হয়। আবার মধ্যভারতের কোন কোন এলাকায় গবাদিপশুকে নানা রঙে সজ্জিত  করে আগুনের ওপর দিয়ে ঝাঁপ দেওয়ানোর মাধ্যমে পালিত হয়। গ্রামগঞ্জে এবং উপকূলীয় অঞ্চলে অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে থাকে মোরগের লড়াই।

ভারত ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, বিশেষতঃ দক্ষিণ এশিয়ায় এই দিবস বা ক্ষণকে ঘিরে উদযাপিত হয় উৎসব। নেপালে এই দিবসটি মাঘি নামে, থাইল্যান্ডে সংক্রান, লাওসে পি মা লাও, মিয়নমারে থিং ইয়ান এবং কম্বোডিয়ায় মহাসংক্রান নামে উদযাপিত হয়। অবশ্য  দেশ ভেদে এর নামের মতোই উৎসবের ধরণেও রয়েছে পার্থক্য। ছবিঃ ইন্টারনেট ।।




মৌলভীবাজারে শেষ হলো মাস ব্যাপী পুনাক শিল্প ও বাণিজ্য মেলা

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।মৌলভীবাজার শহরের কাশীনাথ আলাউদ্দীন হাইস্কুল এন্ড কলেজ মাঠে পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) আয়োজিত দীর্ঘ এক মাস ব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলার শুভ সমাপ্তি হয়েছে।

বুধবার (১২ জানুয়ারী) রাত ১১ টায় মাস ব্যাপী পুনাক শিল্প ও বাণিজ্য মেলার সমাপ্তি উপলক্ষে মেলা প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মেলায় প্রবেশ টিকিটের উপর র‌্যাফেল ড্র করে তিনটি মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিনসহ মোট ৫১ টি পুরষ্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া মহোদয়, জেলা বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদর্শন কুমার রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর) এ,বি,এম মুজাহিদুল ইসলাম পিপিএম ও জেলা বিশেষ শাখার ডিআইও-১ মোহাম্মদ আবু তাহের।

এবারের মেলায় স্টলগুলোতে বিভিন্ন ব্রান্ডের তৈরি পোষাক, কসমেটিকস, জুয়েলারি, হোম মেইড ফুড, নিত্য প্রয়োজনীয় তৈজসপত্রসহ বিভিন্ন পণ্যের সমাহার দেখা যায়। মেলায় অংশগ্রহণকারী স্টল মালিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় সারা মাসই পুনাক মেলা জমজমাট ছিল তাই বেচাকেনাও হয়েছে ভালো। সুন্দরভাবে মেলা শেষ হওয়ায় তারা আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য গত ৩ ডিসেম্বর ২০২১, মৌলভীবাজার জেলা পুনাক সভানেত্রী জনাব সামিনা সুলতানা পুনাক মেলার উদ্বোধন করেছিলেন।




পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে জমে উঠেছে মাছের মেলা

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।। পৌষ-সংক্রান্তি উৎসব উপলক্ষে বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে বসেছে মাছের মেলা। সকাল ১০টা থেকে কমলগঞ্জের মুন্সীবাজার, ভানুগাছ বাজার, শমশেরনগর, আদমপুর ও শহীদনগর বাজারে বসা মাছের মেলায় বিভিন্ন জাতের বড় আকারের মাছ সাজিয়ে বসেন মাছ বিক্রেতারা।
১৩ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার দুপুরে শমশেরনগর বাজারে মাছের মেলা ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি মাছের দোকানে বড় আকারের মাছ সাজিয়ে রাখা হয়েছে। মেলায় উঠেছে বোয়াল, বাঘ, চিতল, রুই, কাতলাসহ সব ধরনের মাছ। ৫ কেজি ওজন থেকে শুরু করে ২৫-৩০ কেজি ওজনের মাছ বিক্রি হচ্ছে মেলায়। সহজে হাট-বাজারে পাওয়া যায় না- এমন মাছও সাজিয়ে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। প্রতিটি মেলায় বেশ চড়া দাম হাঁকাচ্ছেন মাছ-বিক্রেতারা। শমশেরনগর বাজারের মাছ বিক্রেতা মুকুল মিয়া জানান, ২৭ কেজি ওজনের বাঘ মাছ নিয়ে বসেছেন। ভানুগাছ বাজারের মাছ-বিক্রেতা আরমান মিয়া এবারের মেলায় ১৬ কেজি ওজনের বোয়াল মাছ ও ২০ কেজি ওজনের বাউশ (কাতল) মাছ নিয়ে বসেছেন। তিনি বোয়াল মাছটির দাম হাঁকছেন ১৫ হাজার টাকা। ক্রেতারা ওই মাছ ১০ হাজার টাকা বললেও তিনি মাছটি বিক্রি করেননি। কাতল মাছের দাম হাঁকছেন ১০ হাজার টাকা। মাছ ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর মিয়া জানান, ২২ কেজি ওজনের কাতল মাছের দাম ৪৫ হাজার টাকা হাঁকছেন। মাছটি ২৫ হাজার টাকা বলার পরও তিনি বিক্রি করেননি।
ক্রেতারা জানান, মেলায় নানা জাতের বড় আকারের মাছ উঠলেও দাম বেশ চড়া। বিক্রেতাদের সঙ্গে দরাদরি করে মাছ কিনে নিতে হয়। মাছ বিক্রতারা বলেন, দাম বড় কথা নয়। মূলত ক্রেতাদের আকর্ষিত করে মেলায় বড় আকারের মাছ সরবরাহ করা হয়। বেশ চড়া দাম বলা হলেও ক্রেতারা দরাদরি করে পরে সহনীয় পর্যায়ে হলে কিনে নিচ্ছেন।




অগ্নিকান্ডে মুদি দোকান পুড়ে ছাই; ৩ লক্ষ টাকার ক্ষতি

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আগুনে পুড়ে গেছে আব্দুল মজিদ নামে এক ব্যক্তির দোকান। এ ঘটনায় দোকানের গুরুত্বপূর্ণ মালামাল পুড়ে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। 

বুধবার (১২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ২ টা ৩০ মিনিটের দিকে উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নের কেছুলুটি গ্রামের রেলক্রসিং এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। 

ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিক আব্দুল মজিদ বলেন, প্রতিদিনের মতো বুধবার আমি দোকান বন্ধ করে রাত ১২ টায় সস্ত্রীক দোকানে ঘুমিয়ে পড়ি। হঠাৎ রাত ২ টা ৩০ মিনিটের দিকে আগুনের তাপে আমরা ঘুম থেকে জেগে উঠে চিৎকার করি। তখন স্থানীয় লোকজনসহ আমরা আগুন নিভাতে প্রাণপন চেষ্টা করি। আগুনে সম্পূর্ণ দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে নগদ টাকা, মূল্যবান মালামালসহ প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

আগুন নিভানোর সময় আব্দুল মজিদের স্ত্রী আরফা বেগম (৪০) কিছুটা অগ্নিদগ্ধ হন। তাকে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। 

আলাপকালে ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিক আব্দুল মজিদ বলেন, আমি স্থানীয় দুইজন দুষ্কৃতিকারীকে চিনতে পেরেছি। তারা ঘটনার পর  দ্রুত মোটরসাইকেলযোগে স্থান ত্যাগ করেন। পূর্ব শক্রুতার জের ধরে দুষ্কৃতিকারীরা আমার দোকানে আগুন দিয়ে পুড়ে আমাকে নিঃস্ব করেছে।

ঘটনার খবর পেয়ে শমশেরনগর ইউপি চেয়ারম্যান জুয়েল আহমদ ও শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ওসি (তদন্ত) মোশারফ হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ওসি (তদন্ত) মোশারফ হোসেন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




করোনা সংক্রমণ: গ্রিন জোনে মৌলভীবাজার জেলা

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।। দেশে আবারও বেড়েছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। ৬৪ জেলাকে করোনা সংক্রমণের হার অনুযায়ী রেড জোন, ইয়েলো জোন এবং গ্রিন জোনে ভাগ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ ভাগে মৌলভীবাজার জেলা করোনা সংক্রমণে পড়েছে গ্রিন জোনে।

গত এক সপ্তাহের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তথ্য মতে, রাজধানীতে করোনা সংক্রমণের হার ১২.৯০ শতাংশ। রাঙ্গামাটিতে করোনা সংক্রমণের হার ১০ শতাংশ।

এছাড়া হলুদ জোন বা মধ্যম ঝুঁকিতে থাকা জেলা ছয়টি হলো যশোর, রাজশাহী, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, নাটোর ও রংপুর জেলা। এসব জেলায় সংক্রমণের হার ৫ শতাংশ থেকে ৯ শতাংশে অবস্থান করছে।

রেড জোনে বা উচ্চঝুঁকিতে আছে দুইটি জেলা – ঢাকা ও রাঙামাটি। সংক্রমণের গ্রিন জোন বা ক্ষীণ ঝুঁকিতে আছে ৫৪ জেলা। এর মধ্যে রয়েছে পর্যটন জেলা মৌলভীবাজার। 

পূর্ববর্তী সাত দিনের চেয়ে গত সাত দিনে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে ১৬৯.১২ শতাংশ। তবে এতে মৃত্যু হার কমেছে ২০ শতাংশ।

দেশে করোনা প্রাদুর্ভাব শুরুর পর তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ২০২০ সালেও দেশের বিভিন্ন এলাকাকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করেছিল সরকার। পরে জোনভিত্তিক লকডাউন করা হয়। কোথায় কী ধরণের অঞ্চল হবে সে ব্যাপারে বিস্তারিত রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়েছিল তখন।

তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাকে রেড জোন, মাঝারিটা ইয়েলো আর যেসব এলাকায় সংক্রমণ নেই বা ছড়িয়ে ছিটিয়ে সংক্রমণ ছিল সেসব এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

যেসব এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল সেগুলোতে কড়াভাবে লকডাউন কার্যকর করা হয়। গ্রিন জোনকে নিরাপদ হিসেবে ধরে নেওয়া হলেও সেসব এলাকায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, জনসমাগম না করা, অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের না হওয়ার মত নিয়ম মেনে চলতে হয়।

করোনার প্রাদুর্ভাব কমে আসার পর সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছিল সরকার। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটির নতুন ধরন ওমিক্রনের কারণে ফের দেশে বাড়তে শুরু করেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে সরকার চলাচলের জন্য কিছু বিধিনিষেধ জারি করেছে, যা আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে। বিধিনিষেধ কার্যকরের আগের দিন দুই জেলাকে রেড জোন ও ছয় জেলা হলুদ জোনে আছে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়।




বিধিনিষেধ অমান্য করলেই আইনগত ব্যবস্থা : ডিসি

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় আরোপিত ১১ দফা বিধিনিষেধ অমান্য করলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান। 

জেলা প্রশাসক বলেন, করোনা ভাইরাসের ‘ওমিক্রন’ ভ্যারিয়েন্টের প্রাদুর্ভাবের কারণে সারাদেশে সার্বিক কার্যাবলী ও চলাচলে ১১ দফা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। 

জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজারবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সকলকে সতর্ক হওয়ার জন্য এবং  আরোপিত বিধিনিষেধগুলো মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হল। আগামী বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হওয়া এই বিধিনিষেধসমূহ অমান্য করলে আইন ও বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এর আগে সোমবার (১০ জানুয়ারি) করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে ১১ দফা নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসজনিত রোগ (কোভিড-১৯) এর নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাব ও দেশে এ রোগের সংক্রমণ পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত সভায় নেয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৩ জানুয়ারি ২০২২ তারিখ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সার্বিক কাৰ্যাবলি/চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, কোনো এলাকার ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে সেক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিতে পারবে। 

নির্দেশনাগুলো হলো:

১. দোকান, শপিং মল ও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং হোটেল-রেস্তোরাঁসহ সকল জনসমাগমস্থলে বাধ্যতামূলকভাবে সবাইকে মাস্ক পরিধান করতে হবে। অন্যথায় তাকে আইনানুগ শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

২. ১২ বছরের বেশি বয়সী সকল শিক্ষার্থীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের পরে টিকা সনদ ছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

৩. রেস্তোরাঁয় বসে খাবার গ্রহণ এবং আবাসিক হোটেলে থাকার জন্য অবশ্যই করোনা টিকা সনদ প্রদর্শন করতে হবে।

৪. অফিস-আদালতসহ ঘরের বাইরে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে ব্যত্যয় রোধে সারাদেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে।

৫. বিদেশ থেকে আসা যাত্রীসহ সবাইকে বাধ্যতামূলক কোভিড-১৯ টিকা সনদ প্রদর্শন করতে হবে।

৬. ট্রেন, বাস এবং লঞ্চে সক্ষমতার অর্ধেকসংখ্যক যাত্রী নেওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কার্যকারিতার তারিখসহ সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করবে। সর্বপ্রকার যানের চালক ও সহকারীদের আবশ্যিকভাবে কোভিড-১৯ টিকা সনদধারী হতে হবে।

৭. স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও বিমানবন্দরে স্ক্রিনিং-এর সংখ্যা বাড়াতে হবে। পোর্টগুলোতে ক্রুদের জাহাজের বাইরে আসার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে হবে। স্থলবন্দরগুলোতেও আগত ট্রাকের সঙ্গে শুধু ড্রাইভার থাকতে পারবে। কোনো সহকারী আসতে পারবে না। বিদেশগামীদের সঙ্গে আসা দর্শনার্থীদের বিমানবন্দরে প্রবেশ বন্ধ করতে হবে।

৮. স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন এবং মাস্ক পরিধানের বিষয়ে সকল মসজিদে জুমার নামাজের খুতবায় ইমামরা সংশ্লিষ্টদের সচেতন করবেন। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা এ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

৯. সর্বসাধারণের করোনার টিকা এবং বুস্টার ডোজ গ্রহণ ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় প্রচার এবং উদ্যোগ গ্রহণ করবে। এক্ষেত্রে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সহায়তা গ্রহণ করবে।

১০. উন্মুক্ত স্থানে সর্ব সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশ পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হবে।

১১. কোনো এলাকার ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে সেক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিতে পারবে।




রাজনগরে জালনোট প্রতিরোধ সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

জানুয়ারী ১৩, ২০২২: স্টাফ রিপোর্টার॥

মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের আয়োজনে ও সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, রাজনগর শাখার সহযোগিতায় জালনোট প্রতিরোধ সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক ওয়ার্কশপ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে গত ১৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোনালী ব্যাংক রাজনগর শাখার ম্যানেজার সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াংকা পাল। রাজনগর শাখার সিনিয়র অফিসার মামুন সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার দুলন কান্তি চক্রবর্তী, বাংলাদেশ ব্যাংক সিলেট অফিসের যুগ্ম ব্যবস্থাপক (ক্যাশ) আবু তাহির মো. হাবিবুল্লাহ, সিলেট অফিসের উপ-পরিচালক শংকর চন্দ্র্র অলমিক প্রমুখ।