Logo
সংবাদ শিরোনাম :
কাল বসন্ত পঞ্চমী, এই দিনটির তাৎপর্য ও ইতিহাস কমলগঞ্জে শেখ কামাল আন্ত:স্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা কমলগঞ্জে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশীপস এর উদ্বোধন কমলগঞ্জে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে আহত যুবকের মৃত্যু কমলগঞ্জে কিশোরী ক্লাবের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কমলগঞ্জে সাঁওতালদের ঐতিহ্যবাহী ‘সোহরাই’ উৎসব অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে সারথী কথামৃত’র বিশেষ ক্রোড়পত্রের মোড়ক উন্মোচন মৌলভীবাজারে ‘শব্দচর’’ সাহিত্য পত্রিকার প্রকাশনা উৎসব কমলগঞ্জে সপ্তাহব্যাপী নৃত্য প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবে প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের আর্থিক অনুদান প্রদান

কবে শেষ হবে আর্টস অ্যান্ড স্পোর্টস জাদুঘরের কাজ ?

রিপোটার : / ১৮৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২১

image_pdfimage_print

কমলকন্ঠ ডেস্ক ।। প্রবাসে বসে মাটির টানে যারা দেশের কথা ভাবেন দেশকে ভালোবাসেন, তাদেরই একজন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী অ্যাথলেট সাঈদ-উর-রব। একাধারে তিনি সাংবাদিকও। খেলাধুলা থেকে অবসর নিলেও ক্রীড়াঙ্গনকে সমৃদ্ধ করতে দেশ-বিদেশে কর্মতৎপরতা চালিয়ে যান তিনি। তার উদ্যোগে দেশের প্রথম আর্টস অ্যান্ড স্পোর্টস জাদুঘর হচ্ছে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায়। উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নের ঘাগটিয়া ও কামারকান্দি গ্রামের মেহেদীবাগ চা বাগানের পাদদেশে প্রায় ১০ একর জমির ওর নির্মিত হচ্ছে হচ্ছে ‘মাহে-মনি আর্টস অ্যান্ড স্পোর্টস মিউজিয়াম’ জাদুঘরটি। এলাকায় আভিজাত্য এবং ঐতিহ্যের আদলে এটি নির্মাণ করা হবে।

খেলাধুলায় দেশের অর্জন অনেক সমৃদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও তা সংরক্ষণে নেই তেমন কোনো উদ্যোগ। সেই অনুশোচনা থেকেই সুদূর আমেরিকায় থেকেও নিজ জন্মভূমি কুলাউড়ায় দেশের প্রথম আর্টস অ্যান্ড স্পোর্টস মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছেন সাঈদ-উর-রব।

এলাকার ক্রিড়ামোদি সাংস্কৃতিককর্মীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ২০১৪ সালে প্রায় ৩০ বিঘা জমি জুড়ে ‘মাহে-মনি আর্টস অ্যান্ড স্পোর্টস মিউজিয়াম’ এর কাজ শুরু হয়। দেশ ও বিদেশের ক্রীড়াঙ্গনের সাফল্যের ইতিহাস, বিশ্বের নামীদামি চিত্রশিল্পীদের প্রতিকৃতি এবং ইতিহাস ঐতিহ্যের নিদর্শন সংগ্রহের মাধ্যমে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে মিউজিয়ামটি তৈরি করছেন সাঈদ-উর-রব।

১২ হাজার বর্গফুট জমিত জাদুঘরের চারতলা বিশিষ্ট মূল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। ভবনের ভেতর মিউজিয়ামে থাকবে দেশ-বিদেশের খ্যাতনামা প্রয়াত ও বর্তমান ক্রীড়াবিদদের ব্যবহৃত দুর্লভ ক্রীড়াসামগ্রী, অটোগ্রাফ, ছবিসহ বিভিন্ন সামগ্রী। বিভিন্ন দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক নানা তথ্যবহুল বই, প্রতিকৃতি ও নিদর্শন এখানে সংরক্ষণ করা হবে। থাকবে বিশাল পাঠাগার, কনফারেন্স রুম, ফুড কোর্ট-ক্যাফেটেরিয়া ও সুইমিংপুল। শিশুদের জন্য হবে পৃথক বিনোদনের ব্যবস্থা।

ভবনের ভেতর থাকবে আটটি অত্যাধুনিক ডুপ্লেক্স ভিলা (কটেজ)। মিউজিয়ামে দূর-দূরান্ত থেকে আসা গবেষক, লেখক ও দর্শনার্থীরা অবকাশ যাপন করতে পারবেন এসব ডুপ্লেক্স ভিলাতে। ভবনের সম্মুখে রয়েছে বিশাল খোলা জায়গা। যেখানে শান-বাঁধানো ঘাটের দিঘি খনন করা হয়েছে। দিঘির চারপাশে অঙ্কিত হচ্ছে আদি আমলের খাঁজকাটা কারুকাজ।

এছাড়া দিঘির পূর্ব পাশে শৈল্পিক কারুকার্যের ছোঁয়ায় নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন মঞ্চ। মঞ্চের খোলা স্থানে কনসার্ট, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে। মিউজিয়াম এলাকায় মঞ্চের পাশে ছোট্ট দেয়ালে লাগানো হয়েছে বাংলা ও ইংরেজি বর্ণের কারুকাজ এবং খোদাই করে লেখা হয়েছে দেশের ৬৪টি জেলার নাম।

প্রকল্প পরিচালকদের দাবি, এরই মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ প্রায় ৭০ শতাংশ শেষ হয়েছে। আগামী বছরের মধ্যে পুরো কাজ শেষ হতে পারে। জাদুঘরটির কাজ শেষ হলে এটি হবে দেশ-বিদেশের লেখক, কবি, সাহিত্যিক, ইতিহাসবিদ, খেলোয়াড়, প্রত্নতত্ত্ববিদদের গবেষণার তীর্থস্থান।

কামারকান্দি গ্রামের উদীয়মান ক্রিড়ামোদি রনি ও রুয়েল বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে এরকম মিউজিয়াম নির্মাণ অবাক করার মতো বিষয়। এটি হলে এলাকা আলোকিত হয়ে যাবে।

এই প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর (সিইও) হাবিবুর রহমান টুটু জানান, ২০২১ সালে জাদুঘরটির কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতিতে গত বছর থেকে কাজে বন্ধ ছিল। আশা করছি আগামী বছরে এর কাজ শেষ হবে। প্রাচীন আভিজাত্য আর আধুনিক শৈল্পিক ছোঁয়ার সমন্বয়ে নির্মিত হচ্ছে এর অবকাঠামো। নিখুঁতভাবে কাজ করতে একটু বেশি সময় লাগছে। এটি হবে গবেষক ও দর্শনার্থীদের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান।

কুলাউড়া লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম রুবেল বলেন, আমাদের কৃষ্টি কালচার ইতিহাস ঐতিহ্য জানতে কুলাউড়ার মতো স্থানে ব্যক্তি উদ্যোগে এটি নির্মাণ হচ্ছে যা প্রসংশা দাবিদার।


আরো সংবাদ পড়ুন...

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
Developed By Radwan Ahmed