Logo
সংবাদ শিরোনাম :
কাল বসন্ত পঞ্চমী, এই দিনটির তাৎপর্য ও ইতিহাস কমলগঞ্জে শেখ কামাল আন্ত:স্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা কমলগঞ্জে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশীপস এর উদ্বোধন কমলগঞ্জে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে আহত যুবকের মৃত্যু কমলগঞ্জে কিশোরী ক্লাবের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কমলগঞ্জে সাঁওতালদের ঐতিহ্যবাহী ‘সোহরাই’ উৎসব অনুষ্ঠিত কমলগঞ্জে সারথী কথামৃত’র বিশেষ ক্রোড়পত্রের মোড়ক উন্মোচন মৌলভীবাজারে ‘শব্দচর’’ সাহিত্য পত্রিকার প্রকাশনা উৎসব কমলগঞ্জে সপ্তাহব্যাপী নৃত্য প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবে প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের আর্থিক অনুদান প্রদান

কমলগঞ্জে ৬শতাধিক সোনালী মোরগের মৃত্যু

রিপোটার : / ৫০৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০

image_pdfimage_print

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষারে একটি পোল্ট্রি খামারে অসুস্থ্য হয়ে সাড়ে ৬ শতাধিক সোনালী মোরগের মৃত্যু হয়েছে।

এতে খামারি প্রায় দু’লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন। টিলাগড় গ্রামের কাইয়ুম হোসেনের খামারে গামবোরো রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ১১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনদিনে গড়ে এক কেজি দু’শ গ্রাম ওজনের এসব মোরগের মৃত্যু হয়।

টিলাগড় গ্রামের সোনালী পোল্ট্রি খামারের মালিক কাইয়ুম হোসেন জানন, গত দু’বছর ধরে নিজ বাড়িতে খামারি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। গত আড়াইমাস আগে খামারে এক হাজার সোনালী জাতের মোরগের বাচ্চা উত্তোলন করেন।

বাচ্চাগুলোর লালন-পালন, ভ্যাকসিন ও ফিডসহ প্রয়োজনীয় খাবারও প্রদান করেন। প্রতিটি বাচ্চা এক কেজি থেকে এক কেজি দু’শ গ্রাম ওজনের হয়।

ঠিক বিক্রির উপযুক্ত সময়ে রোগে আক্রান্ত হয়। এসময়ে স্থানীয় প্রাণী চিকিৎসক ও ঔষধ কোম্পানীর চিকিৎসকদের মাধ্যমে জানতে পারেন মোরগের গামবোরো রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তিনি তাদের পরামর্শ মোতাবেক এসব বিষয়ে ঔষধপত্র খাওয়ানোর পরও রক্ষা করতে পারেননি। সুস্থ অবস্থায় সাড়ে ৩শ” মোরগ বিক্রি করতে পারলেও অবশিষ্ট সাড়ে ৬শ’ মোরগ খামারেই মারা যায়।

কাইয়ুম হোসেন বলেন, প্রায় ৭৫ দিন বয়স হওয়ার পর এতোসব মোরগ মারা যাওয়ায় প্রায় দু’লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

একজন ডিলারের কাছ থেকে কিছু বাকিতে খাবার ও ঔষধ এনে ব্যবহার করলেও এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠা কঠিন বলে তিনি দাবি করেন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. হেদায়েত আলী বলেন, উপজেলার সবগুলো খামারে তাদের দেখাশুনা রয়েছে।

তবে টিলাগড় গ্রামের কাইয়ুম হোসেনের খামারে সাড়ে ৬শ’ মোরগ মারা যাওয়ার বিষয়ে কিছুই জানেন না। খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান।


আরো সংবাদ পড়ুন...

আর্কাইভ

Developed By Radwan Ahmed