Logo

করোনার কারণে মৌলভীবাজারের পর্যটন শিল্পে ধস

রিপোটার : / ৫৭৮ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ২০ জুন, ২০২০

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।

মৌলভীবাজার জেলায় সারা বছর পর্যটকদের আনাগোনা থাকলেও ঈদ এবং শীতে প্রচুর পর্যটক বেড়াতে আসেন। প্রতি বছর ঈদের ছুটিতে এ জেলার কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে রীতিমতো ঢল নামে পর্যটকদের।

ঈদের ১০-১৫ দিন আগে থেকেই বুকিং হয়ে যায় প্রতিটি হোটেল-রিসোর্ট। ঈদের ছুটিতে মৌলভীবাজারের চা বাগানগুলোসহ কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, হামহাম জলপ্রপাত, বীরশ্রেষ্ট হামিদুর রহমান স্মৃতি কমপ্রেক্স, মনিপুরী পাড়ায় এবং শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন চা-বাগান ও বাইক্কাবিল, কুলাউড়ার কালাপাহাড় ও হাকালুকি হাওরে অসংখ্য পর্যটকরা বেড়াতে আসেন। মৌলভীবাজার জেলার মাধবকুন্ড ও হামহাম জলপ্রপাত আর লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পর্যটক ঘুরতে আসেন প্রতিবছর। কিন্তু প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে এবার পর্যটন খাতে ধস নেমেছে। লকডাউন থাকায় এ বছর মৌলভীবাজারসহ সারা দেশের হোটেল-রিসোর্টে নেই পর্যটক। উল্টো দীর্ঘদিন পর্যটকের আগমন বন্ধ থাকায় ঝুঁকিতে পড়েছে পর্যটন শিল্প। কর্মচারীদের বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছেন মালিকরা।

হোটেল-রিসোর্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন বছরের এই সময়টায় আমাদের সবচেয়ে বেশি আয় হয়। দেশে নানা প্রান্ত এমনকি অনেক বিদেশী নাগরিক ও ঘুরতে আসেন মৌলভীবাজারের । আর এতে করে তাদের হোটেলের প্রতিটা রুম ঈদের সপ্তাহ-দশদিন আগে থেকেই বুকিং হয়ে যেত। তবে এবার করোনার এই সংকটকালীন সময়ে হোটেলগুলোতে সেই আমেজ নেই। হোটেল-রিসোর্ট বন্ধ থাকলেও গত মার্চ মাস থেকে কর্মচারীদের বেতন বাড়িতে পাঠাতে হচ্ছে। আর কতদিন এভাবে চলবে কিছুই ঠিক করে বলা যাচ্ছে না। তাই সরকারি সহায়তা না আসলে আমরা বড় বিপদে পড়ব।’করোনার কারণে র্দীঘদিন ধরে হোটেল – রিসোর্ট বন্ধ রয়েছে তাই পুঁজি হারানোর ভয়ে আছেন মালিকরা।

শ্রীমঙ্গলের শান্তিবাড়ি রিসোর্টের স্বত্তাধিকারী তানভীরুল আরেফিন লিংকন বলেন, ঈদকে ঘিরে আমাদের নানা রকমের পরিকল্পনা থাকতো। আর ঈদ মৌসুমে আমাদের ব্যবস্যাও সবচেয়ে বেশি হত। তবে এবার এক ভিন্ন পরিস্থিতি। 

তিনি আরও বলেন, ‘মার্চ মাসের ১৭ তারিখে আমরা রিসোর্ট বন্ধ করি। তবে বন্ধ করলেও রিসোর্টের রক্ষণাবেক্ষনের জন্য কর্মচারী রাখতে হয়। এছাড়া আমাদের সব কর্মীদের কোনভাবে বেতন দিয়ে যাচ্ছি। এখন সরকারি সহায়তা ছাড়া এবিপদ থেকে আমরা বের হতে পারবো না। আমাদের অন্তত ৬ মাসের মূলধন দিয়ে টিকিয়ে রাখতে হবে।’


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed