Logo
সংবাদ শিরোনাম :
মণিপুরীদের ঐতিহাসিক ‘চহি তারেৎ খুনতাকপা’ দিবস উদযাপন প্রেসক্লাব সভাপতির পুত্র শৈবালে‘র ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ কমলগঞ্জে বোরো চাষের জন্য কৃষকের উদ্যোগে ক্রসবাঁধ নির্মাণ সিপিএসটি-২০ প্রাইজমানি ক্রিকেট টুর্ণামেন্টে হবিগঞ্জ চ্যাম্পিয়ন কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৩ এর ফল প্রকাশ কমলগঞ্জে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক রসুলপুরে নৌকার নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আম্বিয়া কিন্ডারগার্টেন স্কুলে অভিভাবক দিবস পালন। কমলগঞ্জে পূর্ব শক্রতার জের ধরে হামলা; ৩ জনকে আটক করে গণপিটুনি মৌলভীবাজারে তৃণমূল পর্যায়ে সরকারি সেবার মানোন্নয়নে গণশুনানি বড়দিন উৎসবকে ঘিরে কমলগঞ্জের ৪৪টি গির্জায় চলছে প্রস্তুতি সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মছব্বির স্মরণে আলোচনা সভা কমলগঞ্জে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা পুলিশ এসল্ট মামলায় কমলগঞ্জে যুবদল নেতা পৌর কাউন্সিলর গ্রেপ্তার কমলগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ মৌলভীবাজারের ৪টি আসনে প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণায় প্রার্থীরা দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে মৌলভীবাজারের ৪টি আসনে প্রতিদ্বন্ধিতা করবেন ২০ জন প্রার্থী কমলগঞ্জে যুব ফোরাম গঠন যথাযোগ্য মর্যাদায় কমলগঞ্জে ৫২ তম বিজয় দিবস উদযাপন কমলগঞ্জে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

দারিদ্রতার যাতাকলে পিষ্ট বয়োবৃদ্ধ নগেন্দ্র মালাকারের মানবেতর দিন যাপনের কাহিনী !

রিপোটার : / ৬৮৭ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২০

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষা ইউনিয়নের পালিত কোণা গ্রামে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। একটা জরাজীর্ণ ঘরে চরম ভোগান্তিতে চলছে তাদের বসবাস।

জানা যায়, উপজেলার পতনউষা ইউনিয়নের পালিত কোণা গ্রামে বয়োবৃদ্ধ নগেন্দ্র দেবনাথ এর ২ মেয়ে ও স্ত্রী রয়েছে তার পরিবারে। ২মেয়ের লেখাপড়ার ব্যয়,পরিবারের যাবতীয় খরচসহ অন্যান্য ব্যয়ভার বহণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। জীবন চালানোর তাগিদে এক মেয়ে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করতেন। বর্তমানে সেই চাকুরী না থাকার কারণে অতিকষ্টে দিন পার করছে এ অসহায় পরিবারটিকে।

অপরদিকে, বসবাসের অনুপযোগী তাদের ঘরটিও বেহাল দশায়। বয়োবৃদ্ধ নগেন্দ্র দেবনাথ ও ইশা রাণী নাথ জানান, ‘আমরা অত্যন্ত গরিব মানুষ। দিন আনি, দিন খাই।’ নগেন্দ্র দেবনাথ বলেন, আগে কৃষিকাজ করে জীবিকা চলতো। কিছু দিন রাস্থায় রাস্থায় ভ্রাম্যমান পানের দোকানদারী করেছিলাম। এখন গায়ে সেই শক্তি আর নেই। বাড়ির একমাত্র ঘরটি বেহাল দশা হওয়ায় অতিকষ্টে দিন পার করছি পরিবার নিয়ে। বর্তমানে ঘরের টিনের বেড়াসহ ১লক্ষ টাকার মালামাল হলে কোন রকমে ঘরের কাজটা শেষ করতে পারতাম। কিন্তু কোথায় পাব টাকা? যদি সমাজের বৃত্তবানরা একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতো তবে দুটি মেয়ে নিয়ে নিরাপদে দিন কাটাতে পারতাম। হত দরিদ্র বয়োবৃদ্ধ নগেন্দ্র প্রত্যাশা তার করুণ অবস্থার কথা জেনে যদি কোন হৃদয়বান ব্যক্তি বা সরকারের কোন সংস্থা সাহায্যের হাত বাড়ায় তবে শেষ বয়সে মাথা গোজার একটা ব্যবস্থা হতো। সমাজের বিত্তবান কোন ব্যক্তি কি এই অসহায় ব্যক্তির পাশে দাড়াবেন?


আরো সংবাদ পড়ুন...
Developed By Radwan Ahmed