Logo
নোটিশ :
Wellcome to our website...

জুড়ি-বড়লেখায় গাছে ৪৪০ ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইন: দুর্ঘটনার আশঙ্কা

রিপোটার : / ১৮৩ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০

image_pdfimage_print

কমলকন্ঠ রিপোর্ট ।।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কুলাউড়া বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের আওতাধীন জেলার বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ লাইনে ঘটছে প্রাণহানীর ঘটনা। প্রায় দু’যুগের বেশি জরাজীর্ণ লাইন সংস্কারে কর্তৃপক্ষ চরম উদাসীন। লাইন মেরামত না করেই দেয়া হচ্ছে বেশ দূরে দূরে বাঁশের-কাঠের খুটিতে ঝুঁকিপূর্ণ সংযোগ। পিডিবি’র লাইন মেরামতে কি বরাদ্দ দেয় না? তবে এগুলো যায় কোথায় ? এ প্রশ্ন এলাকাবাসীর। লাইনের ওপর থাকা গাছপালা কাটা ও মেরামত না করায় সামান্য ঝড়-বাতাসে গাছপালা পড়ে তার ছিড়ে ঘটছে দুর্ঘটনা। বিদ্যুৎহীন হয়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের। দ্রুত এসব বিদ্যুৎ লাইন সংস্কার না করলে ঘটতে পারে বড়ধরণের দূঘর্টনা।

জানা গেছে, পিডিবি’র কুলাউড়া বিভাগের আওতাধীন বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রায় ৮ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছে। এ বিদ্যুৎ লাইনের বেশির ভাগই ২৫-৩০ বছরের জরাজীর্ণ এবং অপরিকল্পিত। ভুমি থেকে কমপক্ষে ৯ মিটার ওপরে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন টানানোর নিয়ম। কিন্তু এর তোয়াক্কা না করে পিডিবি’র অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাঁশের ও কাঠের খুটিঁতে অত্যন্ত কম উচ্চতায় আবাসিক ও বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে। কোথাও জীবিত বাঁশ ও গাছকে খুটিঁ ব্যবহার করে সংযোগ দেয়ায় প্রায়ই হতাহতের ঘটনা ঘটছে। বিদ্যুতায়িত হয়ে গত ১৬ আগস্ট ফুলতলা বাজারে আব্দুল ওয়াহিদ নামে এক দিনমজুর ও পাতিলাসাঙ্গনে ইমাম উদ্দিন হোসাইন নামক কিশোরের মৃত্যু ঘটেছে। গত বছরে পিডিবি’র অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ লাইনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান জুড়ী বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী সুনীল দেবনাথ, জসিম উদ্দীন, শাহপুরের দুই মাছ শিকারীসহ অন্তত ৬ ব্যক্তি।

বড়লেখার কাশেমনগর, হাকাইতি, জুড়ীর চম্পকলতা, ভজিটিলা, মনতৈল, ভোগতেরা ও কালিনগর গ্রামে হালকা ঝড়ে ভেঙ্গে যাবে এমন কাঠের-বাঁশের অত্যন্ত দুর্বল অসংখ্য খুটিঁতে ৪৪০ ভল্টের বিদ্যুৎ সরবরাহ এলটি লাইন থাকতে দেখা গেছে। রাস্তার ওপর থাকা বিদ্যুৎ সঞ্চালনকৃত তারের দুরত্ব ভুমি থেকে ২/৩ মিটারেরও কম। অনেক স্থানে বিদ্যুতের তার ও খুঁটি ঝুলে রয়েছে। অসাবধান হয়ে চলাফেরা করলেই ঘটবে দুর্ঘটনা। জীবন্ত গাছের সাথে গাছ ও তারের মাঝখানে বাঁেশর চটি রেখে গাছের সাথে বেধে ৪৪০ ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন টানানো হয়েছে। এতে যেকোন সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে বড়ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে। চম্পকলতা গ্রামের সত্তার আলী জানান, চম্পকলতা প্রাইমারী স্কুলের উত্তর পাশে ও জামে মসজিদের মধ্যস্থানে দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিচ দিয়ে মেইন লাইন ফেলা ও নড়বড়ে কাঠের খুঁিট ভেঙ্গে পথচারীরা বিদ্যুতায়িত হওয়ার আশংকা রয়েছে।

পিডিবি’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনছারুল কবীর শামীম কিছু এলাকায় জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিনি মুলত পিডিবি’র বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন। তারপরও সাধ্যমত রক্ষণাবেক্ষণ করছেন। উল্লেখিত এলাকায় প্রজেক্টের মাধ্যমে নতুন লাইন নির্মাণের কাজ চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন...

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু

বিশ্বে

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
Developed By Radwan Ahmed
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!